প্রেসিডেন্ট শপথ নেওয়ার পর ভারতের সমর্থনে প্রথম বক্তব্য বাইডেনের, চাপে চিন-পাকিস্তান

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শপথ নেওয়ার পর ভারতের পক্ষে বার্তা দিলেন, যার ফলে ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও চীন অনেকটাই চাপের মধ্যে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বক্তব্য থেকে এটাই প্রমাণ পাওয়া গেল, ভারত বর্ষ যে আমেরিকার একটি কৌশলগত অংশীদার সেটা স্পষ্ট, আর এই দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করতে ডেমোক্রেটিক সরকার আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এখন সবার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে রিপাবলিকান এরপরে ডেমোক্রেটিক পরিচালিত সরকার আমেরিকার সাথে ভারতের সম্পর্ক কিভাবে গড়ে তুলবে? এই নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন থিংক ট্যাংক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে একটি শ্বেতপত্র। আর সেটা নিয়েই বক্তব্য রেখেছেন জোশুয়া হোয়াইট, ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগামী দিনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে, বিশেষ করে দুই দেশ আরও পারস্পারিক নির্ভরশীল ও সহযোগী হবে। আর এই দায়িত্বে থাকবে কমলা হ্যারিস।

এটা অবশ্য নতুন নয় ট্রাম্প সরকার থাকাকালীন চিনা আগ্রাসন রুখতে আমেরিকা-ভারতের উপরে বেশি নির্ভরশীল ছিল, ঠিক এবারও তার অন্যথা হবে না একেবারেই। এছাড়া ইসলামিক স্টেট আল-কায়েদার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে দুই দেশ বিভিন্ন তথ্য বিনিময় করবে বলেও জানা গেছে। এখানেই শেষ নয় সাথে, পাক মদত পুষ্ট জইশ- লস্কর মোকাবিলায় আমেরিকা ভারতকে সাহায্য করবে বিভিন্ন তথ্য ও গোয়েন্দা মারফত।

তাছাড়া চিনা সেনাদের গতিবিধি, সন্ত্রাস গতিবিধি, বিভিন্ন রকম কাজ কর্ম ও বিভিন্ন চিনা সেনা ও সন্ত্রাস ঘাটি সবকিছুর উপরে নজর রাখার জন্য ভারতকে তথ্য দেবে আমেরিকা। মোটকথা জাতীয় স্বার্থেই ট্রাম্পের ভারতমুখী নিজে থেকে সরবে না বাইডেন সরকার।

চীনকে মাথায় রেখেই ভারতের সঙ্গে একেবারে সামরিক দিক থেকে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে মরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের কয়েক দফায় নৌ-মহড়া হয়ে গেছে। বিশেষ করে গত ১২ ই জানুয়ারি সি ড্রাগন মহড়া গুয়ামে শুরু হয়েছে। আর এই সমস্ত মহড়া যে চীনকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে দুই দেশের মজবুত সম্পর্কের কথা, সেটা কিন্তু স্পষ্ট জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞের মহল।