মিছিলে না যেতে পেরে ক্ষমা চাইলেন বৈশাখী, শোভনবাবুও একা রেখে যেতে চায়নি

বিজেপি দলের অভ্যন্তরে শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে কার্যত জোর রাজনৈতিক তরজা চলছে। বিশেষত গতকাল বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে আয়োজিত রোড শোয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল শোভন এবং বৈশাখীর। সেইমতো সকল প্রস্তুতিও নেওয়া হয়ে গিয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈশাখীর পাশাপাশি শোভনও মিছিলে অংশগ্রহণ করেননি। এই নিয়ে বিজেপি দলের অভ্যন্তরে কার্যত অভিমান পর্ব চলছে।

একদিন পরে শেষ-মেষ ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নামলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল মিছিলে উপস্থিত না থাকতে পারার দরুন দলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গতকালের দলীয় মিছিলে অংশগ্রহণ করতে পারলে তিনি খুশিই হতেন। কিন্তু বাঁধ সাধলো শারীরিক অসুস্থতা।

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফাই, শারীরিক অসুস্থতার দরুন তিনি গতকাল মিছিলে অংশগ্রহণ করতে পারেন নি। আবার তাকে একা ফেলে মিছিলে যেতে পারেন নি শোভন চট্টোপাধ্যায়। অবশ্য দলের কথা ভেবে বিকেল তিনটের দিকে তিনি চেষ্টা করেছিলেন কোনোক্রমে যদি রেডি হয়ে বেরোনো সম্ভব হয়। কিন্তু আদপে তেমনটা হতে পারল না কারণ এদিন সকাল থেকেই শোভন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ১০০ জ্বরে ভুগছিলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল সকালেই অবশ্য বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় মিছিলে অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। মিছিলে তাকে আমন্ত্রণ জানায়নি দল, এই ছিল দলের প্রতি তাঁর অভিমানের কারণ। তবে দলীয় নেতাকর্মীরা অবশ্য বৈশাখীর মানভঞ্জনের প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। এতে অবশ্য লাভ কিছু হয়নি। মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বেই শেষমেষ মিছিল এগিয়ে চলে।