মন্ত্রীর মেয়ের থে’কে ১৮ নম্বর বে’শি পেয়েও চাকরি পাননি ববিতা, জীবনের ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ বছর ন’ষ্ট

২০১৬ সালের ৪ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষায় বসেন ববিতা। ২০১৭-র ২৭ নভেম্বর মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়। মেধাতালিকায় নাম না থাকলেও নাম ছিল ওয়েটিং লিস্টে।

ওয়েটিং লিস্টের তালিকা প্রকাশের দাবিতে একাধিক পরীক্ষার্থী আদালতেরও দ্বারস্থ হন। আদালতের নির্দেশে কমিশন যে তালিকা প্রকাশ করে সেখানে দেখা যায় ২০ নম্বরে নাম রয়েছে ববিতার।

প্রথম কাউন্সিলিংয়ের পর দ্বিতীয় কাউন্সিলিং শুরু হলে তিনি জানতে পারেন তালিকায় ২০ থেকে তাঁর নাম ২১-এ চলে এসেছে। সেই জায়গায় এক নম্বরে চলে এসেছে অঙ্কিতার নাম। বাধ্য হয়ে তিনি কমিশনের দ্বারস্থ হন।

আরো পড়ুন: এই প্রথম এশিয়া স’ফ’রে বাইডেন, পরমাণু বি’স্ফো’র’ণে’র আ’শ’ঙ্কা করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা

কমিশন জানায়, আরটিআই (তথ্যের অধিকার আইন) করার পর অঙ্কিতার নম্বর বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু এর স্বপক্ষে কোনও কাগজ দেখাতে পারেনি তারা।

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে যে আন্দোলন শুরু হয়, তাতে অংশ নেন ববিতাও। এর পর পঞ্চম কাউন্সিলিং হয়ে গেলেও আর চাকরি মেলেনি তাঁর।

তাঁর কথায়, মেধা তালিকা অনুযায়ী ২০১৯-এ আমার চাকরি হয়ে যাওয়ার কথা। সেই সে তালিকায় প্রথমে অঙ্কিতার নাম চলে এল, আর চাকরি হল না।

বাধ্য হয়ে আমি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। বিষয়টি এখনও বিচারাধীন। ববিতার দাবি, অঙ্কিতার ইন্টারভিউ ছাড়া প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬১। সেই জায়গায় আমার ইন্টারভিউ সমেত নম্বর ৭৭।

ইন্টারভিউয়ের ১০ নম্বরের পুরোটাই যদি অঙ্কিতা পায় তা হলেও আমার নম্বর বেশি। তা হলে কী করে মেধা তালিকার প্রথমে তার নাম থাকে?