ফের বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের উপর হামলা, অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে

ব্যারাকপুরের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় রীতিমতো উত্তাল রাজনৈতিক মহল। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের অভিযোগ তৃণমূলের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে। এরই মাঝে আবার আরেক বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ইটবৃষ্টি করলো দুষ্কৃতীরা। বিজেপির অভিযোগ, এই ঘটনার পেছনেও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে।

বিজেপি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ডায়মন্ড হারবারের মোহনপুরে কৃষক সুরক্ষা যাত্রা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে বেরিয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের প্রণীত নতুন কৃষি আইন নিয়ে দেশজুড়ে যে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা বিবেচনা করে এই আইনের স্বপক্ষে কৃষকদের মধ্যে প্রচার চালাতেই জেলায় জেলায় “কৃষক সুরক্ষা যাত্রা” কর্মসূচি পালন করছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। সেই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে যাওয়ার পথেই আক্রমণের মুখে পড়লেন বিজেপি নেতা।

ওই বিজেপি নেতার অভিযোগ, এদিন তার গাড়ি ঘিরে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। হামলার কারণে গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন বিজেপি নেতার গাড়ির চালক। তিনি নিজেও অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন। এমনকি দুষ্কৃতীরা ছুরি দিয়ে আঙ্গুল কেটে নেওয়ারও চেষ্টা করেছিল তার। কোনোরকমে গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন তিনি। এরপর প্রাণ বাঁচিয়ে সামনের কয়েকজন পুলিশকর্মীর কাছে ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

তবে ওই পুলিশকর্মীরা দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তারপর অবশ্য বিষ্ণুপুর থানায় গিয়ে নিজের অভিযোগ জানান তিনি। বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ এরপর আহতদের ডায়মন্ড হারবার মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। এদিন হামলা চলাকালীন বিজেপি নেতার শার্ট ছিঁড়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। এমনকি ইটের ঘায়ে তার গাড়ির বনেট দুমড়ে যায় এবং ফোন ভেঙে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তবে বিজেপি নেতার সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। এর পেছনে তৃণমূলের কোনো হাত নেই।