এই মাছ জালে উঠলেই খু’লে যাবে ভা’গ্য! পাবেন লক্ষ লক্ষ টা’কা

আরব্য রজনীর সেই মৎস্যজীবীর কথা নিশ্চয়ই মনে আছে? মাছের পেট থেকে দামি হিরে পেয়ে রাতারাতি বড়লোক হয়ে গিয়েছিল সে। সম্প্রতি পাকিস্তানের এক মৎস্যজীবীর জীবনের ঘটনাও রূপকথার সেই গল্প মনে করিয়ে দেয়। বিরল প্রজাতির এক মাছ ধরে সেই মাছ বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করে ফেলেছেন পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের ওই মৎস্যজীবী।

সম্প্রতি পাকিস্তানের ডন পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল এই খবর। খবরটি সারা দুনিয়ায় রীতিমতো সাড়া ফেলে দেয়।‌ সাজিদ হাজী আববকরের নৌকোতে করে ওয়াহিদ বালুচ নামের এক মৎস্যজীবী ধরেছিলেন ওই মাছটি। মাছটি আসলে বিরল প্রজাতির ক্রোকার মাছ। চীন এবং ইউরোপে এই মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আসলে এই মাছ অত্যন্ত ঔষধি গুণসম্পন্ন হয়ে থাকে। যে কারণে বিশ্বের বাজারে এর দাম এত বেশি।

মাছটি বিক্রি করার জন্য নিলামে তোলেন ওই ব্যবসায়ী। পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় ৮৬.৪ লক্ষ টাকা নিলামে দাম ওঠে। তবে ঐতিহ্য মেনে কিছুটা ছাড় দিতে গিয়ে শেষমেষ গ্রাহককে ৭২ লক্ষ পাকিস্তানি মুদ্রায় মাছটি দিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় মুদ্রায় ৩৩ লক্ষ টাকার সমান। এর মধ্যে যে মৎস্যজীবির জালে এই মাছটি উঠেছিল তিনি পেয়েছেন ৭.৮০ লক্ষ টাকা। প্রসঙ্গত গতবছর দিঘাতেও এই বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে।

সেই সময়ও মাছটিকে নিলামে তোলা হয় এবং প্রতি কেজি মাছ ২১০০ টাকায় বিক্রি হয়। এই হিসেবে সম্পূর্ণ মাছটি বিক্রি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। বিরল প্রজাতির এই মাছ বিক্রি করে সাধারন গরিব এক জেলের লাখপতি হয়ে ওঠার গল্প আজ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে।