ভোট আসতেই অচেনা মেজাজ, হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন অনুব্রত, জানুন কারণ

ভোট বড় বালাই! ভোটের ঠিক আগের মুহূর্তে বহু প্রতাপশালী, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী রাজনীতিবিদেরই পিলে চমকায়। তা সে বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডলই হোন না কেন। সম্প্রতি সেরকমই একটি নিদর্শন দেখা দিল রাজনীতির মঞ্চে। তাই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে তাকে যতই তাবড় তাবড় স্লোগান দিতে শোনা যাক না কেন, নির্বাচনের দামামা বেজে যাওয়ার পর একেবারেই যেন অন্য মেজাজে ধরা দিলেন বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল।

শনিবার বীরভূমের বোলপুরে হাতুড়ে ডাক্তারদের নিয়ে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে বীরভূমের দাপুটে রাজনীতিবিদের মুখে শোনা গেল ক্ষমা প্রার্থনার সুর। জনসমক্ষে প্রকাশ্যেই করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, “আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি তাহলে ক্ষমা করে দেবেন।” গ্রামীণ চিকিৎসক, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের আসন্ন একুশের ভোট পার করে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

চিকিৎসকদেরই “ভগবান”, “আল্লাহ” বলে উল্লেখ করেন তিনি। এদিন অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে কমিশনের তরফ থেকে দুইজন প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এ সম্পর্কে তার বক্তব্য, তার উপর নজরদারি চালানোর জন্য ১০টা লোক লাগবে! এছাড়াও চলতি বিধানসভা নির্বাচনে নজিরবিহীন আট দফা ভোট গ্রহণ পর্ব সংক্রান্ত কমিশনের সিদ্ধান্তকেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

এ সম্পর্কে তার বক্তব্য, ‌পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র আছে। তাই ২৯৪ দফায় ভোট হলেও তাতে তার কোনো মাথা ব্যথা নেই। তবে কমিশনের সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা কষ্ট পাবেন। নির্বাচনের জন্য দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে বাংলার কাঠফাটা রোদে কষ্ট পাবেন তারা। তাই কমিশনের এই আট দফা নির্বাচনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতাই করেছেন তিনি।