NPR নিয়ে কেন্দ্রের পাশে সব রাজ্য, বাদ এই দুই রাজ্য

এবার যেনো বিপদ মুক্ত কেন্দ্র। কারণ দেশ জুড়ে এন পি আর নিয়ে যে তুমুল লড়াই চলল, তার অবসান করে দিল কংগ্রেস। আসলে এই দেশে এন পি আর নিয়ে একটা সময় সব বিরোধীরাই বিরোধ করতে শুরু করে। আর বিরোধিতায় প্রথম স্থান দখল করে তৃনমূল ও সিপিএম। কিন্তু এবার যেনো একেবারে বুমেরাং। নিজেদের তীর যেনো নিজেদের এসেই লাগল এই দুই দলের। কারণ এবার কংগ্রেস শাসিত সব রাজ্য এই এন পি আর নিয়ে সম্মতি দিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু তৃনমূল ও সিপি এম এখনও তাদের জায়গায়তেই তারা স্থির। তাই এই কারণে এখন অনেকটাই চাপের মুখে তারা। এবার আগামী ১৭ জানুয়ারী কেন্দ্রীয় সরকার এন পি আর নিয়ে বৈঠক ডেকেছে, যেখানে মমতা ব্যানার্জী আগেই জানিয়ে দিয়েছে যে তিনি সেখানে উপস্থিত হবেন না। তাছাড়া তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, তৃনমূল এন পি আরের সিদ্ধান্তে অনড়।

এদিকে কেরলের সিপিএম দলও অনড় তাদের সিদ্ধান্তে। তারাও জানিয়ে দিয়েছে তারা এই এন পি আর হতে দেবে না তাদের রাজ্যে। কিন্তু তারা তাদের সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকলেও কংগ্রেস যেনো তাদের সিদ্ধান্তের বদল ঘটিয়েছে। তারা এবার এই এন পি আর নিয়ে সবুজ সংকেত দিয়ে দিয়েছে। আর তার পরের থেকেই কেন্দ্র অনেকটাই এখন সবল, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এখন তাদের মতে তৃনমূল ও সিপি এম অনেকটাই চাপের মধ্যে আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এবার হয়ত অন্য সব রাজ্যে ইতি মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে এই এন পি আরের। এবার এই এন পি আরের কিছুটা হলেও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০১১ সালের তুলনায় এবার অনেকটাই পরিবর্তন করা যাবে বলে মনে হচ্ছে। আগে যেমন শুধু পুরুষ ও মহিলা ছিল, কিন্তু এবার নতুন করে যোগ করা হয়েছে রুপান্তরকামী। এবার শৌচালয়ের কথাও জানতে চাওয়া হবে। সাথে আরও জানা গেছে, সমীক্ষকেরা জানতে পারে কি ডাল খান সেটাও।

এন পি আর নিয়ে বাংলায় যে বিরোধিতা শুরু হয়, সেটার কারণ হল এই এন পি আর এর তথ্য নাকি এন আর সিতে ব্যবহার করা হবে। এমনটাই এখন বিশেষজ্ঞরা জনাইয়েছেন। কিন্তু এই এন পি আর শুরু হয়েছে ২০১০ থেকে। এন পি আর নিয়ে যে সারা দেশে ঝড় উঠেছিল, কিন্তু তাও কেন্দ্র তাদের কাজ চালিয়ে গিয়েছিল। তারা এই এন পি আর নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষামূলক কাজ কর্ম শুরু করেন। সেখানে সফলতা পাওয়ার পরেই, এবার আসল জায়গায় কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।