কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে ভয়ংকর বার্তা পরিবেশ দপ্তরের, শীঘ্রই জানুন

আমরা দূষণের কথা বলতে শুধু দিল্লির কথাই মুখে আনি, কিন্তু আমাদের এই কলকাতার খবর কেউ রাখি না। এবার দিল্লির পথেই হাটছে কলকাতা এমনটাই জানান দিল কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ। কলকাতার ৭ জায়গায় বাতাসের গুণগত মান পারিমাপক লাগানো আছে। আর তার দ্বরাই প্রমাণ হয়েছে কতটা কলকাতার বায়ুর অবস্থা খারাপ। যাদবপুর, ভিক্টোরিয়া, বালিগঞ্জ, বিধানগর, ফোর্ট উইলিয়াম, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র সরবর।

সব জায়গায় প্রায় বায়ুর গুণগতমান খুবই খারাপ। সব থেকে বায়ুর গুণগতমান যেখানে খারাপ সেটা হল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা। সেখানে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ৩৮৮ র কাছাকাছি, তারপরে আসছে বালিগঞ্জ, ফোর্ট উইলিয়াম। সেই সব জায়গাতেও বায়ুর মান একেবারে নিন্মদিকে। এবার প্রশ্ন হল এই দূষণ হওয়ার কারণ কি? আর কেনো এই দূষণ বেশীরভাগ শীতকালেই বেশী দেখা যায়?

এই নিয়ে এক পরিবেশ বিদ বলেছেন, আসলে শীতকালে বাতাস গরমের তুলনায় বেশী ভারী থাকে, আর তার ফলেই যে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বাতাস থাকে তা বেশী করে দূষিত হয়। আমরা দিল্লিকে বেশী দূষিত জায়গার মধ্যে ফেললেও, কলকাতাও কিন্তু তার থেকে কিছু কম যায় না। আসলে দিল্লির শহরের মধ্যে কোনও রকম দূষণ নেই বললেই চলে, এই দিল্লির দূষণের কারণ হল তার আশা পাশের শহর।

কিন্তু এখানে কলকাতা শহরের আসল দূষণের কারণ হল কলকাতা শহর নিজে, সেখানে থাকা মানুষের জন্য এই দুষণ বেশী করে হয়। সময় পেরিয়ে যাওয়া গাড়ির ইঞ্জিন বাতিল না করা, শহরের জঞ্জাল পরিষ্কার না করা, ই ফুয়েল ব্যবহার না করা, এইসবের কারণেই শহরে আসলে প্রচুর পরিমাণে দূষণ ঘটছে। এখন এই বায়ুদূষণের ফলে মানুষের শরীরে বিভিন্ন রকমের রোগ সংক্রমণ হচ্ছে। আর এর ফলে বেশীর ভাগ মানুষের ফুসফুসের রোগ বেশী করে দেখা দিচ্ছে।

মানুষ হাপানি রোগে ভুগছে। এদিকে WHO এর মতে, এই দূষিত বায়ুর মধ্যে যে দীর্ঘ সময় বেড়ে উঠবে, তার আয়ু এমনিতেই অনেক কম হয়ে যাবে। তো এইসবের জন্য মানুষকে এখনই সজাগ হতে হবে। মানুষ যদি এই নিয়ে না ভাবে তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম তীলে তীলে শেষ হয়ে যাবে, আর এই কাজ একার দ্বারা বা সরকারের দ্বারা সম্ভব না। এই কাজের সমাধান লুকিয়ে আছে একাত্বতায়।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন