BREAKING: আমেরিকার বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধ ঘোষণা! ওড়ানো হল লাল ঝান্ডা

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানি আগেই হুমকি দিয়েছিলেন। আমেরিকায আগেই রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের কাদ্‌স ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেমানিকে নাকোচ করেছেন। তারপর রৌহানি মন্তব্য করেছেন, এই মার্ডারের জন্য আমেরিকাকে বড় দাম দিতে হবে। অথচ আমেরিকা সেই হুমকিকে গ্রাহ্যই করে নি। দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়েছে এবং তারপর ৬ জন ইরানবাসী যোদ্ধাকে শেষ করে দিয়েছে।

আমেরিকা, সোলেমানির শেষ যাত্রার পূর্বেই। আর ঠিক তারপরই তেহরান ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে রাগ উগড়ে দিয়েছে। গোপনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ইরান। এই ইঙ্গিত বোঝাতেই এই পদক্ষেপ ইরানের। ইরানের জামকরন মসজিদের মাথায় লাল ঝাণ্ডা উড়তে দেখা গিয়েছে। যার অর্থ, দেশের জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে বলা। অথবা ইতিমধ্যেই যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এদিন সকাল থেকেই জামকরন মসজিদের মাথায় লাল ঝাণ্ডা উড়তে দেখা গিয়েছে। সাধারণত অন্য সময় জামকরন মসজিদের মাথায় ধর্মীয় পতাকা দেখা যায়। কিন্তু মসজিদের চূড়ায় লাল ঝাণ্ডা লাগিয়ে দেওয়ার মানে যুদ্ধের ঘোষণা করা। এর আগে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তৈরি হয়েছিল। তখনও এই মসজিদের চূড়ায় লাল ঝাণ্ডা উড়তে দেখা গিয়েছিল।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন

সোলেমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে এই রক্ত রঙিন পতাকা মসজিদে উড়িয়েছে ইরান। অতীতে হুসেন সাহেব মসজিদের উপর লাল ঝাণ্ডা উড়িয়ে ছিলেন কারাবালা যুদ্ধের সময়। ত্যাগ এবং রক্তের প্রতীক হল লাল রং।মার্কিন সেনার পঁয়ত্রিশটি ঘাঁটিতে নজর রাখা হয়েছে। তবে সেই পঁয়ত্রিশটি ঘাঁটির অধিকাংশ ই তৈরি করা হয়েছে খনিজ তেলের ভান্ডারের মাঝে।

এরপর যদি আমেরিকা কোনওরকম স্টেপ নেয় সেই পঁয়ত্রিশটি ঘাঁটি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে ইরাকের এলিট রেভোলিউশনারি গার্ডস-এর কমান্ডার আবুহামজের তরফ থেকে।