কেন মারা হয়েছে ইরানের সেনা প্রধান সুলেমানিকে? মুখ খুললেন ট্রাম্প

গত শুক্রবার সকালের ঘটনা, বাগাদাদ বিমান বন্দরে আমেরিকান রকেট হামলা চালানো হয়। আর তার অলে ইরানের সেনা প্রধান কাসেম সুলেইমান মারা যায়। তার সাথে আরও ৭-৮ জন মারা যায়। সেই হামলার পরেই ট্রাম্প তার অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে টুইট করেন একটি আমেরিকার পতাকা। তাহলে বিশেষোজ্ঞরা বুঝেই গেছে এই হামলা, আমেরিকার দ্বারাই হয়েছে। তবে এবার এই হামলার কারণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করল ট্রাম্প।

কেনো মারা হয়েছে সোলেমানকে? ট্রাম্প বলেন, সে মাঋকিন কূটনৈতিক ও কর্মকর্তাদের ওপরে হামলা করার পরিকল্পনা করে সাথে আরও অনেক কাজ করেছে, সে তসার সেনাবাহিনী দিয়ে মার্কিন সেনাদের ওপরে হামলা চালানোর ছকও কষেছিল, তার জন্যই তাকে মারা হয়েছিল। তাছাড়া সে থাকলে তার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য ও ইরাকের ওপরেও পরত। তাই চিন্তা ভাবনা করে তাকে খতম করা হয়েছে।

তিনি এখানেই শেষঙ্করেন নি, তিনি বলেন আমেরিকার দিকে বিশেষ করে আমেরিকার ক্ষতি চাইলে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। আর তার ফলে যেই আসবে তাদের এভাবেই খতম করা হবে। আমাদের দেশের ওপরে একটাও আচড় আসতে দেবেও না।

বিশেষ করে আমাদের কর্ম কর্তা, কূটনৈতিকদের সুরক্ষিত রাখা আমাদের কর্তব্য। ইরানে আমাদের দূতাবাসের ওপরে হামলা চালানো হয়, আর সেটা যে ইরানের সাঘায্যেই হয়েছে তা স্পষ্ট। সেই হামলার ফলে আমাদের অনেকে মারা গেছে, জখম হয়েছে।

যখন মার্কিন দূতাবাসের ওপরে হামলা করা হয়, তখন ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশ্যে বলেন, এর বড় ফল পাবে তারা। আর কথা মতোই কাজ করে বসলো আমেরিকা। গত শুক্রবার বাগদাদ বিমান বন্দরের পাশেই এই হামলা করা হয়। তিনটা রকেট হামলা চালানো হয় পর পর। আর তার ফলেই সোলেইমানের সাথে মোট ৮ জন মারা যায়।

আর এই হামলা যে ট্রাম্পের নির্দেশেই হয়েছে তা স্বীকার করেছে ট্রাম্প। তিনি যখন টুইট করে আমেরিকার জাতীয় পতাকা শেয়ার করে তখনই এই ব্যাপারটা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। পরে অবশ্য পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউসের টুইটে আরও স্বচ্ছ ও পরিষ্কার হয়ে যায় সবটা।