ইরানে উত্তেজনা তুঙ্গে, তেলের দাম নিয়ে এবার মুখ খুললেন ইরান

মার্কিন হানায় ইরানের সেনাপ্রধান কাসিম সোলেমান নিহত হয়েছে। আমেরিকার তরফ থেকে তিনটি রকেট হামলায় সেনাপ্রধানের সাথে আরও ৮ জন মারা গেছে। এর ফলেই এখন সবাই ক্ষুব্ধ আমেরিকার ওপরে। কিছুদিন আগে ইরাকে আমেরিকার দূতাবাসের ওপরে যে হামলা চালানো হয়, আর সেই হামলা নাকি ইরানের মদতেই করা হয়, এমনটা মনে করে ট্রাম্প।

আর তারপরেই তিনি ইরাক ও ইরানের প্রতি উদ্দেশ্য করে বলেন, এর ফল তারা পাবে। এর জন্য এখন শুধু অপেক্ষা। আর কথা মতোই এবার কাজ করেছে আমেরিকা। আমেরিকা ইরানে হামলা চালায়, আর তারফলেই এখন পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোতে তেলের দামের ওপরে প্রভাব পরবে বলে অনেকে মনে করছে।

কিছুদিন আগেই সৌদি আরবে আমেরিকা ড্রোন হামলা চালায়, আর তখন তেলের দামের ওপরে অনেকটাই প্রভাব পরে। কিন্তু পরে অবশ্য তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আসে। তাই এই ঝামেলা নিয়ে প্রাক্তন বিদেশ সচীব কানোয়াল সিব্বল বলেন, পশ্চিম এশিয়ার গন্ডগোল সত্ত্বেও তেলের দাম এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে এই শুক্রবারে হামলার পর তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে হয়েছে ৬৯.১৬ ডলার।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন

আরামকোতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল ,তার নাকি আমেরিকাই করেছিল বলে সূত্রের খবর। আর তার ফলে অনেকেই মনে করে যে তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। কিন্তু যেমনটা ভাবা হয়েছিল, তেমন দাম বৃদ্ধি হয়নি তেলের। শুক্রবার যে এই হামলা করা হয় তার পরেই ট্রাম্প টুইট করে একটি আমেরিকার পতাকা।

আর পরে বলা হয় যে ট্রাম্পের নির্দেশেই এই হামলা করা হয়। এই হামলা নাকি আমেরিকার প্রতিশোধ, ইরাক ও ইরানের প্রতি। কারণ ইরাকে আমেরিকার দূতাবাসের ওপরে হামলা চালানো হয়, আর এই হামলা নাকি ইরানের মদতেই হয় বলে দাবি করে ট্রাম্প। আর তখন তিনি বলেন, এর উপযুক্ত জবাব তারা পাবে। এরপরেই কথা মতো কাজ করে আমেরিকা।