ATM জালিয়াতি নিয়ে বড়সড় পদক্ষেপ SBI-এর

ব্যারাকপুর থেকে ধৃত চারজন বিদেশি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্টেট ব্যাঙ্কের এটিএম জালিয়াতি এবং প্রতারণা। খুব তাড়াতাড়ি চার্জশিট দাখিল ‌করতে চলেছে পুলিশ। ঐ চারজন বর্তমানে ত্রিপুরা পুলিশের আন্ডারে রয়েছে। সূত্র অনুসারে জানা গেছে, গত নভেম্বর মাসে অসমের সিএএ–‌বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই দু’জন বাংলাদেশি এবং তুরস্কের দু’জন নাগরিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করতে বিলম্ব হচ্ছে।

ঐ চারজন নাগরিকের বিরুদ্ধেই ত্রিপুরা, অসম ও পশ্চিমবঙ্গে এটিএম প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ঐ চারজন প্রতারক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া র ৮০ জন গ্রাহকের থেকে প্রায় পঞ্চাশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় টি। ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, প্রতারিত গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এস বি আই এর এটিএম জালিয়াতিতে মূল দুই অভিযুক্ত হাকান জানবুরকান ও ফেট্টাও আলদেমির। তারা উভয়েই তুরস্কের নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। আরো দুজন আসামি হলেন মহম্মদ হান্নান ও রফিকুল ইসলাম। তারা দুজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে।

ব্যারাকপুরের পুলিশ তাদের সনাক্ত করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছেন। ঐ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অসম ও ত্রিপুরাতেও থানায় অভিযোগ দায়ের ছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের টার্গেটে ও ছিলেন তারা। তাই বিস্তারিত তদন্তের জন্য অন্য দুই রাজ্যের পুলিশ ও তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়।

এমনকি দুইবার রেলের টিকিটও কাটা হয়। কিন্তু অসমে সিএএএ বিরোধী আন্দোলনের কারণে টিকিট বাতিল করতে হয় বলে জানা গিয়েছে। গত বুধবার নাগাদ ধৃতদের ত্রিপুরায় নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দিন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে হাজির করা হয়। আগরতলার আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।

আগরতলা এসবিআই ব্রাঞ্চের রিজিওনাল ম্যানেজার দিব্যেন্দু চৌধুরি জানিয়েছেন, সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসেস শুরু করেছে ব্যাঙ্ক। প্রতারণার খবর পাওয়া মাত্রই এসবিআই এক হাজারেরও ওপর এটিএম কার্ড ব্লক করে দিয়েছিল।