BREAKING: CAA-NRC বিরোধিতার মাঝে বাংলার ট্যাবলো বাদ দিল প্রতিরক্ষামন্ত্রক

নাগরিকপঞ্জি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু হওয়ার পরেই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের মধ্যে। বাংলায় সিএএ বিরোধিতার ফলে ক্রমাগত পরিকল্পনা তৈরি করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার নানা কর্মসূচি আলোচিত হচ্ছে বার বার।

তাকে পাল্টা আক্রমণ করতে একচুলও ছাড়ছে না বিজেপিও। এমন সংঘাতের পরিমন্ডলে যুক্ত হল নতুন বিষয়। পশ্চিমবঙ্গে ট্যাবলো বাতিল করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজপথে কোন অনুষ্ঠান হবে না। শুধু এই বিষয়ে নয় মোদী-মমতা বিরোধ চলছে পাল্লায দিয়ে।


কেউ কেউ মনে করছেন এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এরূপ সিদ্ধান্ত বহ্নি তে ঘি ঢালার স্বরূপ। পশ্চিমবঙ্গের ট্যাবলো প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিশেষজ্ঞ কমিটি এএনআই এর দেওয়া রিপোর্টে জানা গেছে। অথচ সেই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি বিশেষজ্ঞদের। দলীয় দু’দফায় বৈঠকের পরও কোন সুরাহা হয়নি।

চলতি বছরে তিনটি থিমের ব্যাখ্যা দিয়েছিল রাজ্য সরকার। কন্যাশ্রী, জল ধরো জল ভরো এবং সবুজ সাথী। কিন্তু তিনটি থিমই মন জিততে পারে নি বিশেষজ্ঞদের। চলতি বছর ৫৬টি ট্যাবলো প্রস্তাব এসেছে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফ থেকে।

এর মধ্যে ৩২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও রাজ্য এবং বাকি ২৪টি বিভিন্ন সরকারি দফতর ও মন্ত্রকের। এখনও অবধি ২২টি প্রস্তাবকে গ্রাহ্য করা হয়েছে। সব মিলেরয়ে মোট ১৬টি রাজ্য। আগেও ২০১৫ সালে একবার কন্যাশ্রী প্রকল্পকে থিম হিসেবে বেছে নিয়েছিল রাজ্য সরকার।

প্রতিরক্ষামন্ত্রকের কমিটি সেক্ষেত্রেও পাল্টা প্রশ্ন তোলেন। ২০১৭ সালেও বাতিল পড়ে বাংলার ট্যাবলো। এনআরসি, সিএএ নিয়ে বিরোধ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এই কারণেই কি বাংলাকে বাদ দেওয়া হল ইচ্ছাকৃতভাবে? এই নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে পুরস্কৃত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে ট্যাবলো। কেন্দ্রের বক্তব্য যদিও সুস্পষ্ট, বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে রাজনৈতিক দলের কোনও যোগসূত্র নেই।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন