পুন্ডিবাড়িতে বিজেপির কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

কোচবিহারঃ ৭ জন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট ক্রার অভিযোগ উঠল এলাকার স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, কোচবিহার ২ নং ব্লকের কালাপানি এলাকায়।অভিযোগ, এনআরসি ও ক্যা-এর সমর্থনে ওই বিজেপি কর্মীরা কিছুদিন আগে মিছিল করে। আর সেই কারনেই স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা ওই বিজেপি কর্মীদের বাড়ির উপর আক্রমন চালায়। তবে এবিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে অস্বীকার করছে তৃণমূল। এবিষয়ে স্থানীয় আরএসএস নেতা পাপন সরকার বলেন, আমার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে গিয়ে বাড়ির সদস্যদের উপর আক্রমন ও লুটপাট করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এর পাশাপাশি আমাকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তারা। তিনি আরও বলেন, এনআরসি ও ক্যা-এর সমর্থনে আমি কিছুদিন আগে বিজেপির একটি কর্মসূচীতে অংশ নেই। আমি সহ আর ৬ জন সেখানে অংশ নেওয়ার কারনে আমাদের ৭ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগকে অস্বীকার করে কোচবিহার ২ নং ব্লকের কনভেনার পরিমল বর্মণ বলেন, গতকাল রাত ১২ টা নাগাদ কালাপানি এলাকায় বিজেপি কর্মীরা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও কর্মীদের উপর উপর আক্রমন করে।

বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওই এলাকায় লাগাতার সন্ত্রাস করে চলেছে। বিজেপি নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। ওই ভাঙচুরের ঘটনায় তৃণমূলের কোনও কর্মী জড়িত ছিল না। তাদের নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দল ঢাকতে তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, লোকসভা ও রাজ্যসভায় ক্যা বিল পাশের পরই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশজুড়ে। আর সেই আঁচ এসে লাগে বাংলায়। সম্প্রতি এরাজ্যের এনআরসি ও ক্যা-এর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। তার নির্দেশেই গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয় অবস্থান-বিক্ষোভ। আর সেই নির্দেশ মতো ব্লক ও বিধানসভা স্তরে বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচী নেয় তৃণমূল কর্মীরা।অন্যদিকে ক্যা-এর সমর্থনে জেলা জেলায় অভিনন্দন যাত্রা শুরু করে বিজেপি। এদিন বিজেপি কর্মীরা ক্যা-এর সমর্থনে কোচবিহার ২ নং ব্লকের কালাপানি এলাকায় মিছিল করেন বিজেপি। এরপর রাতে তৃণমূল কর্মীরা ওই ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায় ও মারধর করে বলে অভিযোগ। এদিন এবিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় পুন্ডিবাড়ি থানায়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।