নির্ভয়া কাণ্ডে দোষীদের ফাঁসি নিয়ে বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

2012 সালের নির্ভয়া গণধর্ষণ এবং খুন কাণ্ডে অভিযুক্তদের ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, কিন্তু তিহার জেলে ফাঁসি দেওয়ার লোক নেই তাই চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল জেল কর্তৃপক্ষের। তবে এ বার নাকি বিহারের বক্স ছাড়ের জেলখানায় 10 এই ফাঁসের দড়ি প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

14 ডিসেম্বরের মধ্যে সেই দাবি প্রস্তুত রাখতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোথায় এই দরে সরবরাহ করা হবে সেটি এখনও বলা হয়নি বা সে বিষয়ে সুস্পষ্ট করে কিছু ঘোষণাও হয়নি। যেহেতু শেষ বার 2016 সাল নাগাদ আফজল গুরুর ফাঁসির পর থেকে তিহার জেলে ফাঁসি দেওয়ার লোক পাওয়া যায়নি তাই এখনও অবধি এ বিষয়ে চিন্তা তো আছেই কিন্তু দেশের যে কোনও প্রান্তেই ফাঁসির সাজা শোনানো হলেই দড়ি সরবরাহ করা হয় বক্সারের জেলখানা থেকে।

তাই যেহেতু এবারে একসঙ্গে দশটি দড়ি তৈরির কথা বলা হয়েছে স্বভাবতই মনে করা হচ্ছে এ বার হয়তো নির্ভয়া গণধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্তদের শীঘ্রই শাস্তি দেওয়া হবে। আর এই দড়ি তৈরির সময় মাথায় রাখতে হয় বেশ কিছু জিনিস-

1. 152 স্ট্যান্ডের সরু সুতো পাকিয়েই প্রয়োজন অনুযায়ী দৈর্ঘ্য বাড়ানো কমানো হয়।

2. প্রতিটি দড়ি বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন হয় 7 হাজার সুতো।

3. একটা দড়ি তৈরি করতে পাঁচ থেকে ছয়জন কারিগর লাগে।

4. দড়ি তৈরি হয়ে গেলে খুব শীঘ্রই এগুলি ব্যবহার করতে হয়।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন