‘জিন্দা লাশ হয়ে বেঁচে আছি’, বিশেষ আর্জি কলকাতার পাম অ্যাভিনিউয়ের দুই নির্যাতিতার

প্রতীক ছবি

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১২ সালে। কলকাতার পাম অ্যাভিনিউয়ের এক ১৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছিল সেখানকার এক যুবক শাহাজাদা। তারপরে তার নামে অভিযোগ করা হলে, তার বিরুদ্ধে কোনোরকম অভিযোগ গ্রহণ করে না পুলিশ।

এমনকি তাকে গ্রেফতার পর্যন্ত করে না। পরে এই কথা জানাজানি হলে তাদের পাশে দাঁড়ায় আমিনুল নামে একজন। কিন্তু আমিনুলকেও শাসাতে থাকে পুলিশ, এমনকি তার ওপর অত্যাচারও চলতে থাকে হরদম। এরপরেই আমিনুল যখন ক্ষোভে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করে তখন পুলিশ চাপে পরে যায় ও তখন শাহাজাদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কিন্তু তারা বেশী দিনের জন্য নয়। তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে তার দল নিয়ে সেই ধর্ষিতা ও তার মাসিকে ধর্ষণ করে। এরপরেই তার ওপরে মামলা দায়ের করা হলে, তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর যেসব পুলিশ আগে গাফিলতি করেছিল তাদের সাসপেন্ডও করা হয়।

এখন সে বন্দি থাকলেও, এখনও তার তরফ থেকে মেয়েদের হুমকি দেওয়া হয়। মেয়েরা তাদের শাস্তির দাবিতে এখনও আদালতে দৌড়াদৌড়ি করছে। তবে কোনো ফল এখনও তারা পাচ্ছে না। এবার তেলেঙ্গানার এনকাউন্টারের পর তাদেরও দাবি যে, সেই ধর্ষককে ফাসিতে ঝোলাতে হবে নয়তো তাকে এনকাউন্টারে মারতে হবে।

তারা বলে টানা ৭ বছর থেকে ঘুরছি এখনও কোনো ইনসাফ পাইনি। এখনও আমরা হুমকি শুনছি। এর থেকে তারা আমাদের মেরে ফেলতে পারত, তাহলে আমরা শান্তি পেতাম। এদিকে তালাঙ্গানার ধর্ষকদের যদি শাস্তি দেওয়া যায় তাহলে সেই শাহাজাদা পাবে না কেন? আমরাও ইনসাফ চাই।

এর জন্য সরকারকে ব্যবস্হা নিতেই হবে। আমিনুলের পর আরেকজন সেই নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তার ওপরেও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এরজন্য তিনি বলেন, আমিনুল হয়তো আত্মহত্যা করেছিল কিন্তু আমি তার করব না, এর শেষ দেখে তবে ছাড়বো।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন