ঘরোয়া উপায়ে দূর করে দিন বাড়তি মেদ

অতিরিক্ত ওজন অথবা শরীরের স্থুলতা নিয়ে ভুগছেন ? বিয়ে বাড়ি অথবা রেস্তোরাতে খেতে গেলে সবার আগে ভুড়ির কথা মনে পরে ? ভুড়ির কথা ভেবে ভেবে দিন দিন মুটিয়ে যাচ্ছেন ? তবে আজ থেকেই নিজের একটু যত্ম নেওয়া শুরু করুন।

সাধারনত অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, মদ‍্যপান, কম ঘুম, অস্বাস্থকর খাবার ইত‍্যাদি কারনে আপনার শরীরের ওজন যেমন বাড়তে পারে তার সাথে দেখা মিলতে পারে ভূঁড়ির ও । যা দীর্ঘস্থায়ি হতে পারে এবং তা থেকে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন রোগ।

শরীরের স্থুলতা বিভিন্ন রকমের হতে পারে তাদের মধ্যে ভূঁড়ির জুড়ি মেলা ভাড় । মূলত দু ধরনের ভূঁড়ি দেখতে পাওয়া যায় , যেমন- “ব্লোটেড বেলি” ।এ ধরনের ভূঁড়িতে সমগ্ৰ পেটেই মেদ জমে স্থুলতা তৈরি করে,অপর দিকে বালজিং বেলি যা পেটের নিচের অংশে মেদ জমে তৈরি হয়। তবে দুটোই স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতি কারক।

তবে এই মেদবৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা সারাদিন জিম অথবা অভুক্ত থাকার প্রয়োজন নেই। অথবা বাজার চলতি মেদ কমানোর ঔষধ ও প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন কিছু সঠিক ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে মেদ ঝড়িয়ে ফেলা। সেই রকম ই কিছু ঘরোয়া ,উপকারি পদ্ধতি হল –

প্রোটিন যুক্ত খাবার-
অত্যাধিক কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার এর পরির্বতে ফাইবার ঔ প্রোটিন যুক্ত খাবার বেছে নেওয়া। মুলত রাতের খাবার ফাইবার যুক্ত খাওয়া।

পর্যাপ্ত পরিমানে জল পান-
প্রচুর পরিমানে জল পান করুন এতে শরীর ডিটক্সিফাইড হয়। সাধারনত আমরা ভরা পেটে অথবা পেট ভার থাকলে জল কম পান করে থাকি, সেক্ষেত্রে জল পান আমাদের স্বস্তি দিতে পারে। হজমে সহায়তা করে, পাচনতন্ত্রে জমে থাকা জল ও আপসারন করে শরীরকে ডিটক্সিফাই করে। এছাড়া পানীয় হিসেবে গ্ৰীন টি, লেবু জল, ফ্রেশ জুস সব কটিই বেছে নিতে পারেন। তবে চা অথবা কফি বর্জন করাই শ্রেয়।

“এপশম সল্ট বাথ” –
শব্দটা নতুন তাইতো? ” এপশম এক ধরনের লবন যা ম্যাগনেশিয়াম এ ভড়পুর। এই লবন জলে স্নান করলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝড়তে সাহায‍্য করে। এছাড়া শরীরে জমে থাকা জল বেড়িয়ে যেতে সাহায‍্য করে।

ফল খাওয়া-
কথায় আছে খালি পেটে জল আর ভরা পেটে ফল। পর্যাপ্ত পরিমানে জল ও ফল দুটোই জরুরি। সারাদিনে অন্তত একটা ফল খাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে কলা খুব উপকারি। কলাতে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। পাচন তন্ত্রের থাকা সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রন করতে সাহায‍্য করে।

সর্ব শেষ পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম , সঠিক সময় খাবার খাওয়া ইত্যাদি মেনে চল্লেই ভূঁড়ি‍র দেখা মেলা ভাড়।