মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মহদিপুর ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে পার্কিং জোন পরিদর্শন করলেন প্রশাসনিক কর্তারা

মালদা,২০ নভেম্বর : বুধবার সকাল সকাল পার্কিং জোন পরিদর্শনে যান পরিবহন দপ্তরের সচিব নারায়ন স্বরুপ নিগম, জেলা শাসক রাজর্ষি মিত্র সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকে মালদা মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্স এর পক্ষ থেকে পিপিপি মডেলে পার্কিং জোন করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখা হয়। এরপরে তিনি নির্দেশ দেন সেই এলাকা পরিদর্শনের জন্য।বুধবার সকাল সকাল প্রশাসনিক কর্তারা মহদিপুর সীমান্তে পার্কিং জোন পরিদর্শন করেন।এদিন মালদা মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি অসিত কুমার সাহা, যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল সরকার, মহদিপুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ সহ অন্যান্য আধিকারিক ও রপ্তানিকারকরা।পার্কিং জোন পরিদর্শনের পর পরিবহন দপ্তরের সচিব নারায়ন স্বরূপ নিয়োগী বলেন, মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকে মালদা মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্সের সদস্যরা ডিজিটাল পার্কিং জোনের দাবি করেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দেন পার্কিং জোন পরিদর্শনের জন্য। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হয়েছে।মহদিপুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ জানিয়েছেন, প্রশাসনিক কর্তারা পার্কিং জোন ঘুরে দেখেছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে প্রশাসনিক কর্তারা বুধবার সকালে পার্কিং জোন পরিদর্শন করতে আসেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার দাবি জানানো হয়েছিল ডিজিটাল পার্কিং জোন তৈরির জন্য।মহদিপুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সুকুমার সাহা জানিয়েছেন, বর্তমানে যে পার্কিং জোন রয়েছে সেখানে প্রায় ৩হাজার লরি পার্কিং করা যেতে পারে। ডিজিটাল পার্কিং জোন হলে সেখানে ৫ হাজার লরি পার্কিং করা যেতে পারে। প্রতিদিন প্রায় ৪০০ লরি বাংলাদেশে রপ্তানি করে। পিপিপি মডেলের পার্কিং জোন হলে বাংলাদেশের রপ্তানির ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। বাড়বে নিরাপত্তা।মালদা মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু জানিয়েছেন, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী যখন মালদা এসেছিলেন সেই সময় তার কাছে পার্কিং জোন নিয়ে প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার তিনি যখন মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে প্রশাসনিক বৈঠক করছিলেন সেই সময় তারা আবার সেই প্রস্তাব রাখেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তিনি বলেন, এত তাড়াতাড়ি তিনি এ বিষয়টিতে নজর দিবেন তা তারা ভাবতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বুধবার সকালে পরিবহন দপ্তরের সচিব ও জেলা শাসক প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে পার্কিং জোন পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন তারা আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে খুব তাড়াতাড়ি এটি বাস্তবায়িত হবে।এলাকাবাসী অমিত ঘোষ, প্রশান্ত ঘোষ সহ অন্যান্যরা এই ডিজিটাল পার্কিং জোন করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।