মোদীর থেকে মনমোহনই ভালো! উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

যদি দেখা যায় এখন বর্তমানে ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ। আর এটা কিন্তু মুখের কথা না। সরকারের সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এই কথাই। গত চার দশকে এমন পরিণতি হয় নি দেশের অর্থনীতির। এবার যে জায়গায় নেমে এসেছে দেশের অর্থনীতি তা আর চোখে দেখা যাচ্ছে না, বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি একেবারে নিন্মমুখী।

গ্রামের মানুষ তাদের খরচা কমিয়ে দিয়েছে, আর এতে প্রমানীত হয়েছে , গ্রামের লোকেদের খুবই খারাপ অবস্থা। দারিদ্র্য এতটাই বেরেছে , যার ফলে তারা হয়ত তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস্পত্র কিনতে পারছে না।
ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অর্গানাইজেশন এই সমীক্ষা করেছে আর সমীক্ষাতে এই ধরণের তথ্যই উঠে এসেছে। গ্রামের মানুষ তাদের জিনিস পত্র কমিয়ে দিয়েছে, এর সাথে চাহিদা কমে যাচ্ছে জিনিসের। এর ফলে উৎপাদন কমে যাচ্ছে । আর শেষ পর্যন্ত দেশের অর্থনীতিতে এর এক বিশাল প্রভাব পরছে।

এখানে দেখা গেছে ২০১১-১২ সালে যে সমীক্ষা হয়েছিল সেখানে মানুষের মাথাপিছু খরচ ছিল ১২১৭ টাকা, কিন্তু ২০১৭-১৮ তে তা কমে দাড়িয়েছে ১১১০ টাকা, এদিকে শহরের মানুষের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিকই কিন্তু তা খুবই অল্প। ২০১১-১২ সালে খরচ ছিল ২২১২টাকা কিন্তু ২০১৭-১৮ তে বৃধি পেয়ে দাড়িয়েছে ২২৫৬ টাকা। তবে মাথায় রাখতে হবে জিনিসের দামও অনেক বেড়েছে সেই হিসেবে এই বৃদ্ধি কিছুই না। আসল কথা হল গ্রামীণ মানুষের ক্রয় কমার ফলেই এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে দেশে।

এখন সবার মনেই প্রশ্ন জাগতেই পারে গ্রামের মানুষ কোন দ্রব্যের ওপরে খরচ কমিয়েছে? জানা গেছে মানুষ চাল, ডাল, তেল নুন, চিনি এই সব কিছুর খরচ কমিয়ে দিয়েছে। যেসব দ্রব্য থেকে সরকারের মোটা টাকা আসে সেই দ্রব্য কেনাই কমিয়ে দিয়েছে গ্রামের মানুষ। এতে স্পষ্ট প্রমাণ হয় দেশে কতটা দারিদ্রতা বেড়েছে।

এখন এর সাথে আরেকটি তথ্য সামনে এসেছে, সেটা হল মোদীর থেকে মন্মোহনের সময় দেশের আর্থিক পরিস্থিতি ভালো ছিল। তখন মানুষের খরচ ও বেড়েছিল এবং দারিদ্রতাও কমেছিল। ২০০৯-১০ সালে মাথাপিছু খরচ ছিল ১০৫৪ টাকা কিন্তু ১১-১২ তে সেই খরচ বেড়ে দাড়িয়েছিল ১২১৭ টাকা। একেবারে এক লাফে ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে খরচ। তাহলে এখন বিচার করুন কে ভালো মোদী না মনমোহন।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন