কোচবিহার মদনমোহনের কাছে সাড়ম্বরে পূজা দিলেন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক

কোচবিহার মদনমোহনের কাছে সাড়ম্বরে পূজা দিলেন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক

কোচবিহার: রীতিমতো ঢাক-ঢোল বাজিয়ে মদন বাড়িতে পুজোর উদ্দেশ্যে এলেন কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। মঙ্গলবার জেলার বিজেপি নেতা ও কর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি রাসযাত্রা সময়কালে পুজো দিলেন তিনি।

কার্তিকী পূর্ণিমা তিথিতে কোচবিহারে রাসযাত্রার আয়োজন হয়ে থাকে। ১৮১২ সালে এই উৎসবের সূচনা করেন মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণ। পরম্পরা মেনে দুই শতকেরও বেশী সময় ধরে এই উৎসব হয়ে আসছে রাজার শহরে। প্রথা মেনে এবছর সোমবার রাতে কোচবিহার দেবত্র ট্রাষ্ট বোর্ডের পরিচালনায় এই রাসযাত্রার সূচনা হয়।

কোচবিহারের মহারাজাদের কুলদেবতা মদনমোহনের রাসযাত্রা উপলক্ষে কোচবিহার পৌরসভা পরিচালিত রাসমেলার আয়োজন হয়। এবারও ওই সন্ধ্যাতেই রাসমেলার সাংস্কৃতিক মঞ্চ ও মেলার উদ্বোধন হয়েছে। দুটো ক্ষেত্রেই সূচনা পর্বে আমন্ত্রিত হননি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। এই নিয়ে কোচবিহার পৌরসভা ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে দলতন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।

তবে রাসযাত্রার উদ্বোধনের পরের দিনই নিজের উদ্যোগে বেশ জাকজমক করেই মদনমোহনের কাছে পূজা দিলেন নিশীথ। এদিন তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির কোচবিহার জেলার সভানেত্রী মালতী রাভা। দলের জেলা সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী প্রমুখ। এদিন স্বর্ণ, রৌপ্য, বস্ত্র, ফল-মূল দিয়ে জাঁকজমকের সাথে এই পূজা দেওয়া হয়। এদিন অনেকটা রাজবেশেই পূজা দিতে আসেন সাংসদ।

তিনি বলেন, রাজ আমলে মদনমোহনের পূজার যে রীতি ছিল তা আমরা মানার চেষ্টা করেছি। যত সামান্য আয়োজন নিয়ে আজ পূজা দিতে আসেছি। তাঁর অভিযোগ অর্থ নৈতিক কারনে সাড়ম্বরে মদনমোহনের পূজা দেবার যে রীতি ছিল তা আজ হচ্ছে না। তাই আমরা চেষ্টা করেছি আজ রীতি মেনে পূজা দেবার। কোচবিহার জেলাজুড়ে পেশি শক্তি যে আস্ফালন চলছে তাঁর নিরসনের মদনমোহনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।