Exclusive: ন্যায্য বেতনের দাবিতে ফের মহা আন্দোলনে প্রাথমিক শিক্ষকরা

95
ন্যায্য বেতনের দাবিতে ফের মহা আন্দোলনে প্রাথমিক শিক্ষকরা

ফের প্রাথমিক শিক্ষকেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা আবার রাস্তায় নেমে অনশন করবে। তারা এর আগে টানা ১৪-১৫ দিন অনশন করেছিল তার ফল মিলেছিল ঠিকই কিন্তু তার মধ্যেও যে একটা ধোয়াশা বজায় আছে তা এবার বুঝতে পারছে বলে স্বীকার করেন কারন তাদের অনশনের পরে রাজ্য সরকার গ্রেড পে বাড়িয়ে দেয় ঠিকই কিন্তু বেতন বেড়ে কত হবে তা স্পষ্ট জানায় নি। ঐ সময়ে সেই বেতন বৃদ্ধির বাড়ানোর কথা শুনেই সবার মাথা থেকে এই কথা বেড়িয়ে যায়।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন

সেই সময় সরকারের তরফ থেকে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে এই ধর্না মিছিল করে প্রাথমিক শিক্ষকেরা। সরকার অনৈতিক ভাবে কয়েকজন শিক্ষকের বদলি করে দেয়, তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় প্রাথমিক শিক্ষকেরা। পরে যখন শিক্ষকেরা টানা অনশন করে এর ফলেই সরকার তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। পরে পার্থ চট্যোপাধ্যায় বেতন বৃধির একটা প্রাথমিক সঙ্কেত দেয়, কিন্তু সেখানে সেই অনশঙ্কারী শিক্ষকদের ডাকা হয় নি।

এসবের পরেও শিক্ষকেরা চুপ করেই ছিল, কারন সরকারের তরফ থেকে গ্রেড পে ২৬০০ থেকে ৩৬০০, ও ২৩০০ থেকে ২৯০০ করা হয়। এপর্যন্ত সবই ভালো ছিল কিন্তু বিপদ ঘটলো এই জায়গায়, যখন শিক্ষকেরা বুঝতে পারলো তাদের পে ফিক্সেশন কি হবে তা নিয়ে সরকার কোনও মুখই খোলে নি। এবার এর বিরুদ্ধে হয়েছেন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোশিয়েসন, তাদের সম্পাদক ও সম্পাদিকা বলেছে, আমাদের প্রথমে শান্ত করার জন্য সরকারের তরফ থেকে ডিএ বাড়ানো হল, সরকার শিক্ষকদের জন্য একটি জিও বের করে সবাইকে জানিয়ে দিল শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো হল, এর ফলে তাদের নাকি টাকা খরচ হবে ১১০০ কোটি টাকা, আর এই খবর মিডিয়া পেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে দিল।

কিন্তু আসল জিনিস ঢাকা পরে গেলো। সবাই ভাবলো শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি হয়েই গেলো। কিন্তু আমরা জানি আমাদের কতটা বেতন বাড়লো। আসলে এতে আমাদের কোনও লাভই হল না। আমাদের উপযুক্ত বেতন হওয়া উচিৎ। এই নিয়ে আমরা অনেক বার বিকাশ ভবনের আধীকারিকদের সাথে বৈঠক করেছি, কিন্তু তাতে লাভের লাভ হয় নি কিছুই। এপাশ থেকে আমাদের বলা হয়েছে আমাদের ফাইল নবান্নে পৌছে গেছে, আবার নবান্ন থেকে বলা হয়েছে এরকম তারা কোনও ফাইলই হাতে পায় নি।

তো এই কথাই শুনে যাচ্ছি আমরা গত ২ মাস থেকে এবার আমাদের অধিকার কেউ না দিলে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে হবে, তাই বলছি আমার পশ্চিমবঙ্গের সব প্রাথমিক শিক্ষকদের কাছে একটাই অনুরোধ, আমরা আবার ৬ ই নভেম্বর ১২ টা নাগাদ যাদবপুরের ৪ নম্বর গেটের সামনে সমবেত মিছিল করব। আমাদের সরকারের কাছে দাবি একটাই থাকবে, আমাদের নায্য বেতন দিতে হবে।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন