অমাবশ্যার রাতে নয় চতুর্থীর দুপুরে মহাকালী পূজিত হন মালদায়

244

মালদা,২৬ অক্টোবর : অমাবশ্যার রাতে নয়, চতুর্থীর দুপুরে মহাকালী পূজিত হন মালদায়। এই মহাকালির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য অমাবস্যার আগেই মায়ের পুজো সম্পন্ন করা হয়। দশটি হাত, দশটি পা এবং দশটি মাথা এই মহাকালির। পরম্পরা মেনেই প্রায়ই ৯০ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন ১০ মাথার এই মহাকালী। প্রাচীন এই পরম্পরা এতটুকু ভাটা পড়েনি বলে জানিয়েছেন ক্লাব সভাপতি নটরাজ মুখার্জি। তিনি বলেন,মালদা শহরের ইংরেজবাজার থানার অন্তর্গত গঙ্গা বাগে অনুষ্ঠিত হয় এই দশ মাথার মহাকালি পুজো। শনিবার দুপুরে তিথি অনুযায়ী চতুর্থীতিতে মহা কালীর পুজো সম্পূর্ণ করা হয়।ইংরেজবাজার ব্যায়াম সমিতির উদ্যোগে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় এই মহাকালি পুজো।

তিনি বলেন আজ থেকে ৯০ বছর আগে ইংরেজদের শাসনকাল থাকাকালীন ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়তে এই পুজোর সূচনা করা হয়। সেই থেকে আজও প্রাচীন পরম্পরা অনুযায়ী পূজিত হয়ে আসছেন ১০ মাথার মহাকালি পুজো। মায়ের পুজোতে শোল মাছের ভোগ চড়ানো হয়। তান্ত্রিক মতে পূজিত হন মা।ব্যাতিক্রমী এখানে শিব নেই। আছে ১০ টি করে মাথা, হাত ও পা। ১৯৩০ সালে শুরু দশমাথার মহাকালি পূজা।আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা স্থায়ী মন্দিরে নিয়ে যায় ক্লাব সদস্যরা। পঙ্চমুন্ডের থানে পূজা হয় তান্ত্রিক মতে।পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র দ্বারা এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় গোটা শহর জুড়ে। অসংখ্য ভক্ত পা মেলান এই শোভা যাত্রায়। মাকে মন্দিরে নিয়ে আসার পর মায়ের পুজো রীতি-রেওয়াজ মেনে সম্পূর্ণ করা হয়।পুজো দিতে বহু ভক্তের আগমন হয় মন্দিরে।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন