নোটবন্দির ১ বছরের মধ্যে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানলে চমকে যাবেন

২০১৬ সালে নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদি সরকার। উদ্দেশ্য, জাল নোটের কারবারি বন্ধ করা এবং কালো টাকা উদ্ধার। কিন্তু নোটবন্দির পর ভোগান্তি হয় সাধারণ মানুষের। ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে নোট বদল করার জন্য।

কিন্তু নোটবন্দির পর সেরকম কোনও ফল পাওয়া যায়নি, জাল নোট তৈরিও বন্ধ হয়নি আবার উদ্ধার হয়নি কালো টাকাও। উল্টো বেড়েছে জালনোটের কারবার। ২০০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার জলনোট বেশি পরিমাণে বেরিয়েছে।

২০০০ টাকার জাল নোটের পরিমান বাজারে বেড়ে যাওয়ার ফলে, ২০০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করা হয়। ২০১৯ সালে ছাপা হয়নি ২০০০ টাকার নোট। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর একটি তথ্য অনুযায়ী, নোটবন্দির একবছরের মধ্যেই ভারতের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার হাতে ২৮.১ কোটির জাল নোট ধরা পড়েছিল।

কিন্তু নোটবন্দির সময় সরকারি হিসাবে বাজারে জালনোটের পরিমান ছিল ১৫.৮ কোটির। অর্থাৎ নোটবন্দির পরেই বাজারে জালনোটের পরিমান বেড়ে যায়। জাল নোট উদ্ধারের দিকে শীর্ষে রয়েছে গুজরাত। ২০১৭ সালে গুজরাত থেকে ৯ কোটিরও উপরে জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছিল।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী দিল্লি এবং তৃতীয় স্থানে উত্তরপ্রদেশ। দিল্লি থেকে জাল নোট উদ্ধার হয়েছিল ৬.৭ কোটির এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে জাল নোট উদ্ধার হয়েছিল ২.৮ কোটির।