বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে ধুন্ধুমার কোচবিহার, লাঠিচার্জ পুলিশের

118
বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে ধুন্ধুমার কোচবিহার, লাঠিচার্জ পুলিশের

কোচবিহার: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রনক্ষেত্রের চেহারা নিল তুফানগঞ্জের চিলাখানা। ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার তুফানগঞ্জ মহকুমার চিলাখানা এলাকায়। ওই ঘটয়ার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা চিলাখানার ৩১ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পরে ব্যবসায়ীদের সাথে ওই পথ অবরোধে যোগ দেয় বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন

ওই ঘটনার খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর অবরোধকারীরা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। এই ঘটনার পর থেকেই থমথমে চিলাখানা বাজার। এলাকায় আর যাতে নতুন করে কোনও অশান্তি না ঘটে তাই এলাকায় টহল দিচ্ছে বিশাল পুলিশবাহিনী।

অভিযোগ, বুধবার সকালে কোচবিহারের তুফানগঞ্জের এক নম্বর ব্লকের চিলাখানায় একটি বাইক মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই মিছিলকারীরা বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় ও স্থানীয় বেশ কয়েকটি দোকান পাটে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ওই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে চিলাখানা বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

এরপর ব্যবসায়ীরা ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। তাঁদের সঙ্গে শামিল হন বিজেপি কর্মী সমর্থকরাও। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। খবর পেয়েই তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে পুলিশ অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে পথ অবরোধ তুলে নেন। অবরোধ তোলার পরই মিছিল শুরু করেন ব্যবসায়ী এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তুফানগঞ্জ ১ নং ব্লকের বিজেপি নেতা পুস্পেন সরকার বলেন, বুধবার সকালে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে তৃনমুল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। কারন তারা বুঝতে পেরেছে তাদের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। তাই এলাকায় সন্ত্রাস করে শান্তিকে বিনষ্ট করতে চাইছে তৃণমূল। কারণ আমাদের দল হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী না।

অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এদ্দাদুল হক বলেন, “তৃণমূল নয় বিজেপি কর্মীরাই প্রথম আক্রমণ করেছে। আমরা অবাক হয়ে দেখছি বিজেপি তাঁদের সংগঠন বাড়াতে গ্রামে গ্রামে মস্তানরাজ কায়েম করেছে। তাঁদের আক্রমণের কেন্দ্র বিন্দু তৃণমূল কর্মীরা।

এদিন তৃণমূলের এই নেতা গুরুতর অভিযোগ করে বলেন পুলিশের মদতে বিজেপি আশ্রিত সমাজবিরোধীরা আমার বাড়িতেও আক্রমণ চালায় এবং আমার আত্মীয়দের তুলে নিয়ে যায়। তৃণমূলের শাসনকালে কিভাবে পুলিশ সমাজ বিরোধীদের সায় দিচ্ছেন এনিয়েও সরব হন তিনি।”

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন