স্বামী ও কন্যাকে ফেলে পরকিয়ায় প্রেমিকের সাথে পালিয়ে চরম পরিণতি মহিলার

73
প্রতীক ছবি

স্বামী ও শিশুকন্যাকে ছেড়ে পর পুরুষের সাথে চলে যাবার কারণে বেধড়ক মার খেলো এক যুবতী।ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ 24 পরগনার ঢোলাহাট থানার দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গুরুদাসপুরে।বছর চারেক আগে ওই যুবতীটি প্রেম করে বিয়ে করেছিলো এক যুবককে,বিবাহ সূত্রে তাদের একটি কন্যা সন্তানও হয়েছিল।

কিন্তু কোনো কারণে তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল দুরত্ব।স্বামী আপোষ করে চললেও সেই যুবতীর মনে ছিল অন্যকিছু,ওই যুবতীর সাথে অন্য এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে,স্বামী ও বাচ্চাকে রেখে ওই যুবকের সাথে ভেগে গিয়ে এতদিন দিব্যি ঘর করছিলো।

যুবতীর স্বামী ঠিকানা পেয়ে মেয়েকে নিয়ে দেখা করতে আসলে সবকিছু জানাজানি হয়ে যায়।স্থানীয়রা সবকিছু জানতে পেরে ওই যুবতীকে গণধোলাই শুরু করে। বছর চারেক আগে ওই যুবতীর কাজের সূত্রে বোলপুরে দেখা হয় সফিকুল ইসলাম নামে এক যুবকের সাথে,তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠলে বাড়ির অমতে বিয়ে করে যুবতী পূজা ভান্ডারী।

শেষে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে,সংসার করার জন্য নিজের নাম পরিবর্তন করে পূজা ভান্ডারী থেকে মরিয়ম বিবি হয়ে উঠে।দমদমে তাদের নতুন সংসার গড়ে উঠে,তাদের একটি কন্যা সন্তানও হয়,সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল,এরই মাঝে আলাপ হয় জয় জালানি নামে এক যুবকের সাথে,টাকা পয়সা বেশি হবার দরুন ওই যুবকের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে ওই যুবতী।

প্রেমে হাবুডুবু খেতে শুরু করে দুজনেই।শেষে পুজোর সময় স্বামী ও মেয়েকে ছেড়ে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যায় সে,ফের নাম পরিবর্তন করে ওই যুবতী।ফের পুজা নামে সকলের কাছে পরিচয় তার,প্রেমিক জয়কে স্বামী সাজিয়ে গুরুদাসপুরের খালপারে মাথা গোজে দুজনে।কিন্তু স্বামী সবকিছু জানতে পেরে তাদের গোপন আস্তানায় হানা দেয় মেয়েকে নিয়ে।

সাথে সাথে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের মহিলারা ভিড় করে,দেওয়া হয় গণধোলাই। কিন্তু স্বামীর শত চেষ্টা সত্ত্বেও ওই যুবতী ফিরে যেতে রাজি হয়নি।সে সারাজীবন জয়ের সাথেই কাটাতে চায়।শেষে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য হয় স্বামী।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন