হাতি, বাইসনের সাথে মানুষের মধ্যে সংঘাত এরাতে বড় পদক্ষেপ বনদপ্তরের

44
হাতি, বাইসনের সাথে মানুষের মধ্যে সংঘাত এরাতে বড় পদক্ষেপ বনদপ্তরের

সিভিক ভলান্টিয়ারদের হাতি তাড়ানোর কাজে লাগাচ্ছে বনদপ্তর,এনিয়ে বিশেষ কর্মশালা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে।বন্যপ্রাণী ও মানুষের মধ্যে সংঘাত এড়াতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজে লাগানো হবে।ইতিমধ্যে ট্রেনিং শুরু হয়েছে।জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের বনকর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। মূলত হাতির সাথে মানুষের সংঘাত এড়াতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বনদপ্তর।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন

সিভিক ভলান্টিয়ার ও সিআইএসএফ কর্মীরা যৌথভাবে এই কাজ করবেন। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন 4টি থানার মোট 32 জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে ইতিমধ্যে বাছাই করা হয়েছে ও কালচিনি থানার 17 জন সিআইএসএফ জওয়ানকে দফায় দফায় ট্রেনিং দেওয়ার কাজ চলছে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে,ফরেস্ট সংলগ্ন এলাকা ও গ্রামের মধ্যে বন্যপ্রাণী ও মানুষের মধ্যে কোনো সংঘাত এড়াতে সিভিক ভলান্টিয়াররা মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।সেরকম ভাবেই তাদের ট্রেনিংয়ের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।তাদের সাথে থাকবে সিআইএসএফ জওয়ানরা।

কোনো গ্রামে আচমকা হাতি,চিতাবাঘ বা বাইসন ঢুকলেও এসএমএস পাঠাবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা,তাদের সাথে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকবে বনদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের।যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসএমএস বার্তা পৌঁছাবে কট্রোলরুমে তত তাড়াতাড়ি বনদপ্তরের আধিকারিকরা পৌঁছাবে উপদ্রুত এলাকায়। বনদপ্তর থেকে জানা গিয়েছে,প্রথমদিনের ট্রেনিং খুব ভালো হয়েছে,সবাই খুব উৎসাহী। সিভিকদের তাদের দায়িত্ব খুব ভালো করে বোঝানো হচ্ছে।

এই রকম আপডেট পেতে লাইক করুন