‘পরমাণু অস্ত্রের জবাব পরমাণু অস্ত্র দিয়ে’, উত্তেজনায় ঘি ঢেলে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

এবার পিয়ংইয়ংয়ের তরফ থেকে দেওয়া হল হুঁশিয়ারি। আমেরিকার বিদ্বেষী নীতির কারণে এই হুঁশিয়ারি। উত্তর কোরিয়া জানিয়ে দিয়েছে এবার আর কোনোভাবেই ছেড়ে কথা বলা হবে না। উত্তর কোরিয়ার প্রধান কিম জং উন, সব কিছুতেই পরমাণু হামলার কথা জানায়, হুমকি দেয়। এবার ফের সেই কথাই জানালেন তিনি। পিয়ং ইয়ং এর তরফ থেকে দেওয়া হল এবার পরমাণু হামলার হুশিয়ারী। আর সেই কারণেই নিজেদের অস্ত্রে শান দিচ্ছে তারা।

আসলে উত্তর কোরিয়ার বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পরমাণু হামলার জবাব পরমাণু হামলার দিয়েই। এখন পিয়ংইয়ংয়ের কাছে কোনো উপায় নেই, তারা এবার এটার মাধ্যমেই আমেরিকাকে জবাব দেবে। একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এখন আমেরিকার পরমাণু হামলার হুমকি একেবারে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে, আর তার ফলেই আন্তর্জাতিক আইনে ব্যাপক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

তাই এবার দেখা যাচ্ছে পরমাণু অস্ত্র দিয়ে জবাব দেওয়াটা শেষ রাস্তা। পরমাণু শক্তি বৃদ্ধি করবেই উত্তর কোরিয়া, কারণ আমেরিকা যতদিন তাদের সামরিক অস্ত্রের ভয় দেখাবে ততদিন। এতে এখন কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। কোরিয়ার ৭০ তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই কথা বলা হয়েছে উত্তর কোরিয়ার একটি সংবাদ মাধ্যমে। আসলে দেখা গেছে গত কয়েকবছর থেকে আমেরিকা উত্তর কোরিয়াকে বিরত রেখেছে, বঞ্চিত করেছে পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি থেকে। এই নিয়ে কয়েকবার বৈঠক পর্যন্ত হয়েছে, আর তারপরেই দেখা গেছে কোনো সমাধান হয় নি। কোনো চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয় নি।

একদিকে চিন ভারতের মধ্যে যুদ্ধংদেহী পরিস্হিতি, তার মধ্যে আরেক জায়গায় নতুন যুদ্ধের আগুন জ্বলে উঠছে। সেটা হল আমেরিকা ও উত্তর কোরিয়া। এখন উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে বলা হয়েছে আমেরিকা যদি চায় কোরিয় উপদ্বীপে যুদ্ধের আগুন জ্বালাতে, তাহলে আমেরিকা ধ্বংস করে দেওয়া হবে পরমাণু শক্তি দিয়ে। তাই আমেরিকা যা করবে ভেবেচিন্তে যেনো করে, এদিকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত উত্তর কোরিয়ার সেনারাও।