কোভিড পজিটিভ হয়ে মালদ্বীপে আটকে ঐন্দ্রিলা ও অঙ্কুশ, বিপাকে পড়ে প্রতিদিন খরচ হচ্ছে মোটা টাকা

দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আমাদের অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলার। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের শেষে অবশেষে তারা চলতি বছরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। তার আগেই নিজেদের মতো করে ছুটি কাটিয়ে এসেছেন পাহাড়ে। তবে ব্যাচেলর লাইফের শেষ জন্মদিন একটু নতুনত্ব ভাবে কাটাতে চেয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা।

তাই স্বপ্নের দেশ মালদ্বীপ বেড়াতে চলে গিয়েছিলেন তারা। চুটিয়ে কোয়ালিটি টাইম কাটানোর পর যখন ফিরে আসার পালা এল, ঠিক তখনই ঘটলো একটি দুর্ঘটনা।

মালদ্বীপে থাকাকালীন ঐন্দ্রিলা সেনের শরীরে বাসা বাঁধলো কারণ ভাইরাস করোনা। স্বাভাবিকভাবেই এই মুহূর্তে দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনাই নেই তার। তবে নিশ্চিন্তের খবর হলো, ঐন্দ্রিলা পজিটিভ হলেও অঙ্কুশ এখনো নেগেটিভ।

তবে এই মুহূর্তে দুজনেই আটকে পড়েছেন মালদ্বীপে। একসঙ্গে থাকা ও যাচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ হয়ে গেছে দুজনেরই।

তবে করোনাই আক্রান্ত হলেও সে রকম উপসর্গ কিছু নেই। এমনকি শারীরিক দুর্বলতা নেই বলেই জানিয়েছেন ঐন্দ্রিলা। ঐন্দ্রিলার সঙ্গে এই প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, মার্চের সাতাশ তারিখ কলকাতা ফিরে যাবার কথা ছিল আমাদের। মালদ্বীপ থেকে ফিরে যাবার আগে আমরা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী করোনা টেস্ট করাই। তখনই আমার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও অঙ্কুশ এখনো নেগেটিভ।

যাবতীয় সর্তকতা অবলম্বন করার পরেও এরকম ঘটনা ঘটার ফলে রীতিমতো চিন্তিত আমরা। কোন উপসর্গ ছাড়াই আমার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যদিও রিপোর্টের কপি এখনো আমরা হাতে পাইনি। আমাদের ফোনে জানানো হয়েছে রিপোর্ট। যতক্ষণ না রিপোর্ট আমরা হাতে পাচ্ছি ততক্ষণ আমাদের মনে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বাভাবিকভাবেই মালদ্বীপে বেশি দিন থাকার ফলে অর্থের দিক থেকে কিছুটা হলেও বিপাকে পড়ে গেছেন এই জুটি। বিলাসবহুল রিসোর্টে তারা ছিলেন এতদিন। রিপোর্ট পজেটিভ আসার ফলে সেখানেই কোয়ারেন্টাইন এ থাকতে হচ্ছে তাদের।

১১ দিন শুধুমাত্র খাবারের জন্য তাদের দিতে হচ্ছে ৭০ ডলার। নববর্ষের আগে কোনভাবেই তাদের ফিরে আসা হবে না। তাই দ্বিতীয়বার রিপোর্ট আসার আগে পর্যন্ত বেশ চিন্তিত অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা। জন্মদিনের ছুটির এই রকম অভিজ্ঞতা হবে তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তারা।