ডাক্তারের চেয়ারের পাশে বসিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ উঠল বহিরাগত যুবকের বিরুদ্ধে

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তারের চেয়ারের পাশে বসিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ উঠল বহিরাগত যুবককে বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। জানা গিয়েছে যে এক রোগীর সমস্যা শুনে ভুল ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন ওই যুবক। এরপর সেই রোগী ওষুধের দোকান ওষুধ কিনতে গিয়ে জানতে পারেন তাকে ভুল ওষুধ লেখে দেওয়া হয়েছে।

পরে পুরো বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসক এসে জানায়। ওই ক্রমে ওই রোগী জানতে পারেন যিনি চিকিৎসক সেজে ওষুধ লিখেছেন আসলে সে কেউ না। এই বিষয়টি প্রকাশে আসতে অন্যান্য রোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। রোগীর অভিযোগ বেশ কিছুদিন ধরেই ওই যুবক ডাক্তারের পাশে বসে রোগী দেখেন। এতদিন ধরে তারা ডাক্তার বলেই তাকে চিনতেন। তবে ডাক্তার না হয়ে ওই যুবক কিভাবে রোগীদের ওষুধ লেখে দিচ্ছে তানিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে ওই যুবক প্রেসক্রিপশনে লেখার বিষয়টি নিয়ে নিজের মুখেই স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত যুবক বলেন রোগী নিজের সমস্যা জানায়। সেজন্য তাকে সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল শপ থেকে ওষুধ কিনে নেওয়ার জন্য প্রেসক্রিপশনে লেখেছি। তাতে কি যায় আসে। যুবকের সঙ্গে থাকা কর্তব্যরত চিকিৎসক কৌশিক চৌধুরী এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। উল্টে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ওই চিকিৎসক কে আপনাদের ছবি তোলার অনুমতি দিয়েছেন।

ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অপর এক চিকিৎসক ডঃ এফ সি মন্ডল বলেন আসলে ওই যুবক হাসপাতালের কেউ না। তাকে বিএমওইচ ও মেডিক্যাল ইনচার্জের অনুমতি পেয়ে সে হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে আছে। তবে তার প্রেসক্রিপশন লেখার অধিকার নেই। অপরদিকে এই বিষয়ে সিএমওএইচ প্রলয় আচার্য্য বলেন ডাক্তার ছাড়া কেউ প্রেসক্রিপশন লিখতে পারে না। যদিও ঘটনাটা ঠিক কি ঘটেছে তা জানা নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।