কিসের ই’ঙ্গি’ত? দলের Whatsapp গ্রু’প ছাড়লেন বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল শিবিরে ধরেছিল ভাঙ্গন। গেরুয়া শিবিরের খুঁটি মজবুত করতে সেই সময় তৃণমূল দল ছেড়ে একের পর এক নেতাকর্মী বিজেপি শিবিরে যোগদান করতে শুরু করেন। তবে একুশের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর যখন ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের রাজ্যের মসনদে এসে বসল তৃণমূল, তখন সেই দলবদলকারীদের মধ্যে অনেকেই আবারও পুরনো দলে ফেরার ইচ্ছে পোষণ করতে শুরু করেছেন!

বিজেপি শিবির থেকে ইতিমধ্যেই সোনালী গুহ, সরলা মুর্মুরা দলে ফেরার ইচ্ছে জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, ‌ বিজেপির বহু কর্মী-সদস্যই নাকি আবারো তৃণমূল শিবিরে ফেরার প্রচেষ্টা করছেন। এবার গেরুয়া শিবিরের নেতা সৌমিত্র খাঁকে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। শোনা যাচ্ছে বিজেপির শিবিরের সঙ্গে নাকি তার দূরত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কারণে আজকেই বিজেপির একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন সৌমিত্র।

আজ অর্থাৎ শনিবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের লাক্সারি লজে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হতে চলেছে। সেই বৈঠকে নাকি উপস্থিত থাকবেন না সৌমিত্র খাঁ। গ্রুপ থেকে তাই আগেই বেরিয়ে যান সৌমিত্র। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে করোনা মোকাবিলায় এই মুহূর্তে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সেই বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বৈঠকে উপস্থিত হতে চান না তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তৃণমূল ছেড়েই বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ। তার স্ত্রী সুজাতাও এই মুহূর্তে তৃণমূল শিবিরেই রয়েছেন। সম্প্রতি সুজাতা মন্তব্য করেন যে বাঁকুড়াতে বিজেপি সংগঠনকে পোক্ত করার ক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষের কোনো হাত ছিল না। যা কিছু করেছেন সব সৌমিত্র করেছেন। বাঁকুড়ার কর্মীদের একাংশ দিলীপ ঘোষকে পছন্দই করেন না! সেই কর্মীদের কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত কিনা, বর্তমানে তা রাজনৈতিক চর্চার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে।