সমীক্ষায় বাঁকুড়াতে জয়ের আশা ক্ষীণ, পুরুলিয়া নিয়েও চিন্তায় তৃণমূল!

আসন্ন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলিতে ভোট প্রচারের স্ট্র্যাটেজি তুঙ্গে। ভোটের প্রচার চালানোর পাশাপাশি ভোট পূর্ব সমীক্ষাও প্রায় রেডি। ভোট পূর্বের সমীক্ষা বলছে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই তৃণমূল সুপ্রিমোর জয়জয়কার চলছে। ব্যতিক্রম, উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহল ও তৎসংলগ্ন জেলাগুলি। এই এলাকা গুলি নিয়ে কিন্তু বেশ চিন্তায় আছে রাজ্যের শাসক দল।

উল্লেখ্য, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনেও কিন্তু বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলার আদিবাসী সম্প্রদায় তৃণমূলের তুলনায় বিজেপির প্রতিই অধিক আস্থা জ্ঞাপন করেছিলেন। চলতি দফার ভোটেও তার অন্যথা হবে না বলেই মনে করছে তৃণমূল। দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা বলছে আসন্ন একুশের লড়াইয়েও আদিবাসী অধ্যুষিত এই দুই জেলাতে ঘাসফুলের বদলে পদ্ম ফুল ফুটতে চলেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত ২০১৬ সালেও বাঁকুড়ার ১২ টি আসনের মধ্যে পাঁচটি আসনে তৃণমূলের হাতছাড়া হয়ে যায়। পরবর্তী ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল বদলের পর্যায়ে তৃণমূলের বহু বিধায়ক ভাঙ্গিয়ে নিয়েছে বিরোধী বিজেপি শিবির। বাঁকুড়ার সেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিন্তু এখনো বদলায়নি। তাই এই জেলার আসন গুলির মধ্যে অন্তত দুই-তিনটি আসন ছাড়া অন্যান্য আসনগুলিতে ঘাস ফুল ফোটার আশা রাখছে না তৃণমূল।

পুরুলিয়ার চিত্রটাও অনেকটাই এক। বিগত দফার লোকসভা নির্বাচনেই আরএসএস, বজরং দল কার্যত সেই জেলার ৪০ শতাংশ তপশিলি জাতি এবং উপজাতি সম্প্রদায় ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। ফলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই দুই জেলা নিয়ে বেশ চিন্তিত তৃণমূল। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের তুলনায় আদিবাসী অধ্যুষিত জেলাগুলিতে যে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই বাঁধবে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত রাজ্য শাসকদল।