এখানেও ঘটে দু’র্ঘ’ট’না, ভে’ঙে পড়েছিল বিমান, জানুন ভারতের “বারমুডা ট্রায়াঙ্গল”-এর অজানা কা’হি’নী

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল, আমেরিকার ফ্লোরিডা, পুয়ের্তো রিকো এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ ঘেরা এই কাল্পনিক ত্রিভুজাকৃতি অংশকে কেন্দ্র করে বহু জল্পনা রয়েছে মানুষের মনে। এটি এমন একটি স্থান যেখানে আজ পর্যন্ত কোনো জাহাজ কিংবা উড়োজাহাজ পৌঁছে আর ফিরে আসতে পারেনি। বেশিরভাগ জাহাজ কিংবা বিমান ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, নয়তো পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে রীতিমতো আতঙ্ক এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল।

তবে জানেন কি ভারত এবং চীনের কিন্তু এই ধরনের ট্রায়াঙ্গেল রয়েছে? ভারতে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর মত যে কাল্পনিক ত্রিভুজ রয়েছে তার নাম ভারতের বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। আবার চিনের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরেও এই ধরনের একটি ত্রিভুজ রয়েছে যার নাম চীনের বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল বা ড্রাগন ট্রায়াঙ্গেল। এর মধ্যে ভারতের যে ট্রায়াঙ্গেল রয়েছে তার তিনটি প্রান্তের মধ্যে একটি প্রান্তে ওড়িশার আমারদা রোড এয়ারফিল্ড, দ্বিতীয় বিন্দু রয়েছে ঝাড়খন্ডের চাকুলিয়ায় এবং তৃতীয় বিন্দুটি রয়েছে বাঁকুড়ার কাছে পিয়ারডোবায়।

এই অঞ্চলটি আসলে ভারতীয় বায়ুসেনার অধীনে। তবে দীর্ঘ ৭৪ বছর ধরে এই এলাকায় অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটেছে যে কারণে বহু বায়ুসেনা কর্মীর প্রাণ গিয়েছে। ওই অঞ্চলে এ পর্যন্ত প্রায় ১৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে যার থেকে অন্তত পক্ষে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিতান্তই রহস্যজনকভাবে ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। যে বিমানগুলি ওই অঞ্চলে গিয়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সেই বিমানে কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল না বলেই জানাচ্ছেন বায়ুসেনা আধিকারিকরা।

তবুও কোনো এক অজ্ঞাত শক্তি বলে ভেঙে পড়েছে ওই অঞ্চলে প্রবিষ্ট সকল বায়ু সেনা বিমান। ৬০০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এই বায়ুসেনা ঘাঁটি বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ঝাড়খণ্ডের জাদুগোরার কাছে ইউরেনিয়ামের খনি রয়েছে। ইউরেনিয়াম অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় মৌল। এই তেজস্ক্রিয় মৌলের আশেপাশে কোন বৈদ্যুতিক যন্ত্র থাকলে সেই যন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যে কারণে ওই এলাকার মধ্যে প্রবিষ্ট বায়ু সেনা বিমানও উড়ানের সময় আচমকা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। এবং তার থেকেই ঘটে গিয়েছে একের পর এক এতগুলি দুর্ঘটনা।