লকডাউনে ৩ মাসে ৩৫০টি অনলাইন কোর্স করে বিশ্ব রেকর্ড করলেন ভারতীয় ছাত্রী আরতি

করোনা মহামারীর কারণে রীতিমতো ঘরবন্দি মানুষ। লকডাউন এর জেরে দীর্ঘদিন ধরেই বাইরে যাতায়াত বন্ধ। তবে লকডাউনের যেমন বেশকিছু খারাপ দিক রয়েছে, তেমনই এর বেশ কিছু ভাল দিকও রয়েছে। এতে যেমন বাইরে জগতের সংস্পর্শ থেকে এক ঘরে হয়ে গিয়েছেন সকলে, তেমনি ঘরের মধ্যে থেকে অনেকেই তাদের পরিবারের কাছাকাছি আসতে পেরেছেন। অনেকেই নিজেদের পুরনো সখগুলি আবারো জাগ্রত করতে পেরেছেন।

একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠে দীর্ঘ কয়েক মাসের লকডাউনকে অনেকেই সৃজনশীলতার সাথে কাজে লাগিয়েছেন। লকডাউনের মধ্যে বাড়িতে থেকেই অনেকে বিভিন্ন অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান বাড়িয়েছেন। তেমনই এক কৃতি হলেন কেরলের কোচির এলামাক্কারা এলাকার বাসিন্দা আরতি রঘুনাথ। তবে একটা দুটো নয়, একসাথে ৩৫০টি কোর্স করে বিশ্বের মধ্যে রীতিমতো রেকর্ড করে ফেলেছেন আরতি।

আর এই কোর্সগুলিকে সম্পন্ন করতে আরতি দেবীর সময় লেগেছে মাত্র তিন মাস। সূত্রের খবর, আরতি রঘুনাথ নিজে একজন বায়োটেকনলজির স্নাতকোত্তরের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। লকডাউনের প্রভাবে দীর্ঘ সাত মাস ধরে তার কলেজ বন্ধ। তবে এই সময়টাকে পুরোদমে কাজে লাগিয়েছেন আরতি। লকডাউনের মধ্যে ঘর বন্দী থাকলেও নিজের জ্ঞানের পরিসরকে সীমাবদ্ধ হতে দেননি তিনি।

মাত্র তিন মাসের মধ্যেই জন হকিন্স ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়া, ইউনিভার্সিটি অফ কোলারাডো বোল্ডার, ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক, টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ডেনমার্ক এবং ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগানের মতো বিশ্বের নামিদামি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ৩৫০টি নতুন কোর্স করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। তবে, এ বিষয়ে তিনি তার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার এক কলেজ শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রথম এই সমস্ত অনলাইন কোর্সের সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। তাই রেকর্ড গড়ে শিক্ষকদের অবদানের কথা বলতে ভুললেন না আরতি।