ঠিকানা চেনার ভা’লো উপায় হলো পিন কোড, এই নম্বরে কি কি লু’কি’য়ে থা’কে?

এই ইন্টারনেটের যুগে চিঠির চাহিদা এখন অনেকটাই ফুরিয়েছে। অনলাইন মেসেজ কিংবা ইমেইল মারফত বার্তা এক দেশ থেকে অন্য দেশে পৌঁছে যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি। তবে এই ইন্টারনেটের যুগে চিঠির গুরুত্ব কমলেও কিন্তু পিন কোডের বেশ গুরুত্ব আছে।

৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে ৬ নম্বরের দেশীয় পিন কোডও কিন্তু নিজের জন্মদিনের উৎসব পালন করছে। ১৯৭২ সালের ১৫ ই আগস্ট পিনকোডের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। পার্সেল থেকে শুরু করে অনলাইনে অর্ডার করা জিনিসপত্র সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে যেতে পারে একমাত্র এই পিন কোডের মাধ্যমে।

একই নামের অনেক ব্যক্তির একই মহল্লাতে যদি থাকেন তাহলে সঠিক ব্যক্তিকে চিনে নিয়ে তার হাতে তার আকাঙ্ক্ষিত বস্তু পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন এই পিন কোড। স্বাধীনতা সময়কালে গোটা দেশে ২৩৩৪৪ টি ডাকঘর ছিল। তা শহরাঞ্চলেই মূলত ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।

আরো পড়ুন: মুকেশ আম্বানি ও তার পরিবারকে স্বাধীনতা দিবসে হু’ম’কি

২০১৭ সালের মার্চ মাসের পরিসংখ্যান অনুসারে দেশে এখন ডাকঘরের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৬৫। গোটা দেশকে এখন ২৩ টি পোস্টাল সার্কেলে ভাগ করা হয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সঠিক ব্যক্তির হাতে সঠিক চিঠি পৌঁছে দেওয়া বেশ কষ্টকর হয়ে পড়ে। সেই সময় পিন কোডের জন্ম হয়।

পিন কোডের ছটি নম্বরের প্রত্যেকটির আলাদা অর্থ রয়েছে। উত্তরাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল,, পশ্চিম অঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল এবং সেনাবাহিনীর জন্য বিশেষ অঞ্চল যাকে বলা হয় নয় নম্বর।

পিন করে প্রথম সংখ্যার মাধ্যমে বোঝা যায় চিঠি বা পার্সেল কোন অঞ্চলের জন্য এসেছে বা কোন রাজ্যে পাঠাতে হবে। দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে সাব জোন, তৃতীয় সংখ্যা থেকে সাব জোনের মধ্যে জেলা এবং শেষ তিনটি সংখ্যা থেকে ডাকঘরের নাম জানা যায়।