কয়েকদিন পরেই অক্ষয় তৃতীয়া, এদিনের সা’থে জ’ড়ি’য়ে আ’ছে শ্রীকৃষ্ণের লী’লা! জেনে নিন

আগামী ১৪ই মে দেশ জুড়ে পালিত হবে অক্ষয় তৃতীয়া উৎসব। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পালিত হয় অক্ষয় তৃতীয়া। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। এই দিনে যেকোনো শুভ অনুষ্ঠান পালন করা যায়। এই বিশেষ দিনটি কে কেন্দ্র করে হিন্দু শাস্ত্রে দুইটি উপ কথার প্রচলন আছে। দুটি বিষ্ণু দেবতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

প্রথম উপকথা অনুসারে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সর্বাধিক দরিদ্র ব্রাহ্মণ বন্ধু সুদামা একবার কৃষ্ণের খাবার খেয়ে নিয়েছিলেন। পরে তিনি তার ভুল বুঝতে পেরে কৃষ্ণকে খাওয়ানোর জন্য এক মুঠো চাল নিয়ে তার ঘরে যান। শ্রীকৃষ্ণকে খাওয়ানোর জন্য সুদামার কাতরতা দেখে ভক্তের প্রতি মুগ্ধ হয়েছিলেন সুদামা। শোনা যায় এর পরেই নাকি কৃষ্ণের আশীর্বাদে সুদামার দুঃখের দিন শেষ হয়ে যায়।

অক্ষয় তৃতীয়া সম্পর্কিত প্রচলিত আরেকটি কাহিনী অনুসারে, মহাভারতে কৌরবদের কাছে পাশা খেলায় হেরে গিয়ে পাণ্ডবরা যখন ১২ বছরের বনবাস এবং এক বছরের অজ্ঞাতবাস পেয়েছিলেন ঠিক সেই সময় পান্ডবদের ঘরে আচমকাই ঋষি দুর্বাসা তার দলবল নিয়ে হাজির হন। তারা দ্রৌপদীর কাছে খাবার চান। এদিকে পান্ডবদের ঘরে তখন কোনো খাবার ছিল না। দুর্বাসার রাগ সম্পর্কেও ভালভাবেই অবগত ছিলেন পাণ্ডবরা।

ক্ষুধার্ত দুর্বাসাকে খেতে দিতে না পারলে তিনি তৎক্ষণাৎ অভিশাপ দিতে পারেন। এই ভয়ে তটস্থ ছিলেন দ্রৌপদী এবং পান্ডবরা। পান্ডবদের সেদিন বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়ে ছিলেন স্বয়ং কৃষ্ণ। তিনি দ্রৌপদীর হাড়ির তলায় লেগে থাকা একটি অন্ন খেয়ে নিয়েছিলেন এতে দুর্বাসা এবং তার শিষ্যদেরও পেট ভরে যায়। সেদিনটিও ছিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন।