পুজোর আগে বড়ো পাওনা, ভেলোরে চিকিৎসায় সুবিধা পেতে চালু “স্বাস্থ্যসাথী” প্রকল্প

রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে নিঃশব্দে নতুন স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু করল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা এবার থেকে ভেলোর সিএমসির সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ, চিকিৎসার প্রয়োজনে যারা ভেলোর যেতে চান স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় তারা রাজ্যের এই বিশেষ পরিষেবা পাবেন। তবে শুধু ভেলোর নয়, ভবিষ্যতের দিল্লির এইমস কেও এই পরিষেবার আওতায় আনা হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার দরুন চিকিৎসার প্রয়োজনে দেশবাসীর পছন্দের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ভেলোর।চিকিৎসার প্রয়োজনে এ রাজ্যের থেকে অনেকেই ভেলোর যান। রাজ্য সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুসারে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের উপভোক্তারা ভেলোর যাওয়ার ক্ষেত্রে এবার থেকে রাজ্যের তরফ থেকে সহায়তা পাবেন। ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে সরকার।

রাজ্য সরকারি দপ্তর সূত্রে খবর, গত ৬ই অক্টোবর থেকেই এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে বর্তমানে ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ফলে রাজ্যবাসীর ভেলোর যাওয়ার পথে বাধা পড়েছে। তবে ট্রেন চলাচল আবার পূর্বাবস্থায় ফিরে গেলেই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তারা ভেলোর সিএমসির সুবিধা পাবেন। রাজ্যের এই পরিকল্পনা অনুসারে বাংলার একটি বিরাট অংশের মানুষ উপকৃত হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের এই পরিকল্পনার সমালোচনা করতে পিছুপা হচ্ছে না বিজেপি।

বিজেপির ন্যাশনালিস্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের যুক্তি, রাজ্যের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তবে এ রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের উদ্বোধন করতে নারাজ রাজ্য সরকার। রাজ্যের যুক্তি অনুযায়ী, বাংলায় যেখানে আগে থেকেই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প চালু আছে, সেখানে নতুন করে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করা বৃথা। তবে কেন্দ্র যদি ১০০% অর্থ ব্যয় করে এই প্রকল্প বাংলার মানুষের জন্য চালু করতে চায় তাহলে তাতে বাধা দেবে না রাজ্য সরকার। রাজ্য এই প্রকল্পের জন্য একটি টাকাও খরচ করতে রাজি নয়।