আমাদের দেশের ৫ ধনী ভিক্ষুক, যাদের আছে কোটি টাকার সম্পত্তি, রয়েছে ফ্ল্যাট

ভারত বর্ষ এখনকার যুগে ও উন্নতিশীল দেশ। প্রতিমুহূর্তে উন্নতি করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সে। ভারতবর্ষে সবথেকে বেশি ভিক্ষুকের সংখ্যা দেখতে পাওয়া যায়। মন্দিরের বাইরে, রেল স্টেশনে, যেখানে সেখানে দেখতে পাওয়া যায় ভিক্ষুকের লাইন। শুধুমাত্র টাকা দিয়ে দেওয়া হয়, কখনো খেতে দেওয়া হয় তাদের। তবে আপনাকে যদি এখন বলা হয় যে, যে সমস্ত মানুষ কি আপনি দয়ার চোখে দেখেন, যে সমস্ত মানুষকে আপনি দু’মুঠো অন্ন দান করেন, তা রোজগার আপনার থেকে অনেক বেশি, তাহলে নিশ্চয়ই অবাক হয়ে যাবেন আপনি।

কথাটা চমকে দেবার মতো হলেও কিন্তু সত্যিই। আজকের প্রতিবেদন এর দ্বারা আপনাকে জানাবো, ভারতের ধনীতম পাঁচটি ভিক্ষুকের কথা, যাদের বোধহয় ধনী বললেও কম বলা হবে। মোটা ব্যাংক ব্যালেন্স সহ এদের কাছে রয়েছে নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট। তবে দিনের আলোয় এনাদের দেখলে কিন্তু আপনি বুঝতে পারবেন না একেবারেই। এনারা প্রত্যেকদিন কিন্তু আপনার সামনে রাস্তায় ভিক্ষা করবে,এরা দের কিন্তু আপনি রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া চড়তে দেখবেন না।

এটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ভারতবর্ষের সবথেকে ধনী ব্যক্তির নাম হল ভরত জৈন।এর আগে প্রত্যেকদিন মুম্বাইয়ের পারেল এলাকায় ভিক্ষা করতে দেখা যায়। রিপোর্ট অনুযায়ী তার যে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে সেগুলোর দাম কমপক্ষে ৭০ লক্ষ টাকা। প্রতি মাসে ভিক্ষা করে ৭৫ হাজার টাকা রোজগার করে সে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতার লক্ষী। মাত্র ১৬ বছর থেকে শুরু হয়েছিল তার ভিক্ষার যাত্রা। ১৯৯৪ থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিকা করে আসছে সে। প্রত্যেকদিন ভিক্ষা করে সে উপার্জন করে ১,৫০০ টাকা। মাসিক আয়ের প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বাইয়ের গীতা। গীতা মুম্বাই শহরের ভিক্ষুক। ভিক্ষা করে তার রোজগার প্রায় লক্ষ্মীর মত।সম্প্রতি একটি ফ্ল্যাট কিনে ভাইয়ের সঙ্গে থাকে গীতা।

চতুর্থ স্থানে রয়েছেন চন্দ্র আজাদের গোবিন্দ। তবে তিনি ২০১৯ সালে রেল দুর্ঘটনায় মারা যান। মৃত্যুর পর তার সমস্ত সম্পত্তির অধিকার মুম্বাই পুলিশ। মৃত্যুর পর দেখা যায় যে তার অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

পঞ্চম ভিক্ষুক হলেন বিহারের পাটনা রেল প্লাটফর্মের ভিক্ষুক পাপ্পু। সম্প্রতি তার ব্যাংক ব্যালেন্স রয়েছে কোটি টাকার কাছাকাছি।