৩ মাস হলো বিয়ের, পু’রা’নো স’ম্প’র্কে’র ক’থা জানতেই স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী

সালমান খান, ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের জীবনের বড় মোড় ঘুরে গিয়েছিলো হাম দিল দে চুকে সানাম সিনেমার পর থেকে। এ সিনেমার পর থেকেই তারা একে অপরকে মন দিয়েছিলেন। এ সিনেমাতে উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অজয় দেবগন। ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সঙ্গে সালমান খানের বিয়ে হবার কথা ছিল কিন্তু তার মাঝখানে হঠাৎ করে বাধা দেয় তাদের পরিবার। অন্যদিকে অজয় দেবগনের সঙ্গে বিয়ে হবার পর থেকেই ঐশ্বর্য রায় তাকে জানিয়ে দেন যে তিনি কিছুতেই তার সাথে সংসার করতে পারবেন না।

তারপর থেকেই শুরু হয় নিজের স্ত্রীকে তার প্রেমিকের কাছে ফিরিয়ে দেবার এক অসাধারণ গল্প। তবে কথাতেই আছে গল্প হলেও সত্যি। তাই সেই ছবির প্রতিফলন অবশেষে দেখা গেল ২০২১ সালে। মাত্র তিন মাসের বিয়ে করা স্ত্রী কে তার প্রেমিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে এলেন একজন ব্যক্তি। নিজে থেকেই তাদের বিয়ে দেবার ব্যবস্থা করলেন। এমন একটি অভিনব ঘটনার সাক্ষী হলেন কানপুরের চকেরি থানার অন্তর্গত সানিগোয়াল গ্রাম।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখ সুজিত হরফে গলুর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল পাশের গ্রাম শ্যামনগরের মেয়ে শান্তির সঙ্গে। রীতিমতো ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তাদের। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে সুখে ঘর সংসার করছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করে কয়েকদিন পর বাপের বাড়িতে ফিরে আসার পর তিনি কিছুতেই আর স্বামীর সঙ্গে ঘর করতে রাজি ছিলেন না। প্রথমটা কেউ কিছুই বুঝতে পারেননি। স্ত্রীকে বহুবার বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য জোর করতে থাকে সুজিত।

কিন্তু কোনভাবেই শান্তি রাজি হয়নি। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ি না যাবার কারন ও বলতে পারছিল না সে। অনেক চেষ্টার পর স্বামীর কাছে সমস্ত কথা বলেন শান্তি। তাকে জানান যে তিনি অন্য একজনকে ভালবাসেন। কিভাবে বাড়ির লোকেরা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তাড়িয়ে দেন সে কথা স্পষ্ট করে স্বামীর কাছে। স্ত্রীর কাছে সমস্ত কথা শোনার পর সেই দিনই সুজিত রবির সাথে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেয়।

মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় যে, রবি সঙ্গে শান্তির বিয়ে সে দেবে। কথামতো স্ত্রীকে নিয়ে যান রবির কাছে। দাঁড়িয়ে চার হাত এক করে দেন তিনি। তবে গল্পের সঙ্গে সিনেমার একটাই মাত্র পার্থক্য, সিনেমাতে ঐশ্বর্য শেষমেষ ফিরে এসেছিলেন অজয় দেবগনের কাছে, কিন্তু বাস্তবে স্বামীকে ছেড়ে প্রেমের কাছেই ফিরে যান শান্তি।