2441139 বেলা বোস, অঞ্জন দত্তের সেই বি’খ্যা’ত গা’ন, এটি কা’র ন’ম্ব’র জানেন কি?

আজকে গভীর রাতে যখন একা মন খারাপ হয় তখন কানে ভেসে আসে বেশ কয়েকটি পরিচিত গান। তার মধ্যে বহু মানুষের সব থেকে প্রিয় গান হল, বেলা বোস। চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো, গানটি প্রতিটি শব্দ যেন আজও বহু মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। গায়ক অবশ্য গানের মধ্য দিয়ে বেলা বোস এর বাড়ি পৌঁছতে পারেনি। ৯০ দশকের এই গান আজও বেকার যুবকদের মনের কথা বলে যায়। অর্থ কিভাবে প্রেমের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তা গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন অঞ্জন দত্ত।

তবে পুরো গানটির মধ্যে বেলা বোসের ফোন নাম্বারটি আজও সমানভাবে জনপ্রিয়। অঞ্জন দত্তের এই গানের বেলা বোস কি সত্যি রয়েছে? সত্যি এই নাম্বারে ফোন করলে কি বেলা বোস কে পাওয়া যাবে? এই প্রশ্ন নিশ্চয়ই বহু মানুষের মনে বহু বার এসেছে। তবে অঞ্জন দত্তকে যখন প্রশ্ন করা হয় তখন তিনি জানান যে, নব্বই দশকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করা হতো। সেই নম্বরগুলি ছয় সংখ্যার হত। গানের ছন্দ মিলিয়ে ফোন নাম্বার রাখার জন্য একটি নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সেই সময় এই নাম্বারটি ছিল দৈনিক বিশ্বামিত্র পত্রিকার সম্পাদকের নাম্বারটি কার নামে রেজিস্টার করা আছে। গানের জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল যে, বহু মানুষ রাত দুপুরে ফোন করি সম্পাদককে বিরক্ত করে জিজ্ঞাসা করতেন যে বেলা বোসের সন্ধান। পরে অবশ্যই সম্পাদকের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন অঞ্জন দত্ত। নেহাতই নম্বর মেলাতে গিয়ে এই কাণ্ড টি হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। তবে পরে এই নম্বরটি ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়। ২৭ বছর পরেও বহু মানুষ এই নম্বরে ফোন করে বেলা বোস এর সন্ধান জানতে চান।

তবে বাস্তব জীবনে বেলা বোস এর কোন অস্তিত্ব নেই গায়কের জীবনে। শুধুমাত্র কাল্পনিক একটি চরিত্র কল্পনা করে নিয়েছেন তিনি। ছন্দ মেলানো ছাড়া তার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এমনকি বেলা বলছি বলে তিনি কাউকে চিনতেন না।