টিকিয়াপাড়া কাণ্ডে গ্রেফতার 2 মূল অভিযুক্ত, চলছে পুলিশি অভিযান

কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া নির্দেশ জমায়েত হওয়া যাবে না। প্রয়োজনে বাইরে বেরন কিন্তু মুখে মাস্ক পড়ে. সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ সারুন। এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফেও। তবুও প্রশাসনের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমিয়ে চলছে ভিড় ভাট্টা। যদিও বিভিন্ন প্রান্তে অলিতে গলিতে প্রতিনিয়ত টহল দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

কিন্তু তাতেও লজ্জা নেই। তবে জনতা আবার সচেতনতার বদলে পুলিশকেই রোষের মুখে ফেলতে চাইছে। সেই জ্বলন্ত উদাহরণ আমরা দেখেছি টিকিয়াপাড়ায়। যেখানে জমায়েত হওয়াকে ঘিরে পুলিশ জনতা খণ্ডযুদ্ধ বেঁধেছিল। পুলিশেক দেখে ভয় পাওয়া নয় বরং পুলিশের পিছু ধাওয়া করেছিল উত্তেজিত জনতা।পুলিশের ওপর এহেন হেনস্থার ঘটনার জেরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যেমে শীঘ্রি অভিযুক্তদের শাস্তির দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

সেই মতো তদন্ত চালিয়ে অবশেষে টিকিয়াপাড়া পুলিশ হেনস্থা কাণ্ডে গ্রেফতার করা হল মূল অভিযুক্ত সহ ১৪ জনকে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও পুলিশের উপর হামলা চালানোর মামলা রুজু হয়েছে।এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, মঙ্গলবার টিকিয়াপাড়ায় বিলিলিয়াস রোডে পুলিশি টহলদারির চলার সত্ত্বেও উন্মাদী জনতা বাইরে বেরিয়ে পড়েন। লকডাউন কার্যকর করতে পুলিশ জনতাদের সরাতে গেলে আক্রান্ত হন। জনতার রোষে পড়ে গুরুতর জখন হন দুই পুলিশকর্মী। জনতার ইট বোতলের ঘায়ে অনেকেরই চোট লাগে।

পরে ঘটনাস্থলে RAF নামানো হয় এব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তারপর থেকেই এই ঘটনার ব্যাপক নিন্দা করেছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে লিখেছিলেন, ‘একটা ঘটনা হয়েছে। খুব খারাপ ঘটনা। তবে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। আমিও চাই দোষীদের কড়া শাস্তি হোক। কিন্তু নিরপরাধদের বাঁচিয়ে। আমি কখনও দোষীদের জাত-বর্ণ-ধর্ম দেখিনি, এখনও দেখব না। কিন্তু এটা নিয়ে অহেতুক রাজনীতি করা হচ্ছে। শকুনের মতো বসে রয়েছে মরার অপেক্ষায়। এটা বাংলা, উত্তরপ্রদেশ বা দিল্লি নয়।’

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন