জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিবের মধ্যস্থতার ইচ্ছাপ্রকাশ খারিজ করলো ভারত

ফাইল ছবি

এবার ফের যেনো সেই সুপ্ত আগ্নেয়গিরিটা জেগে উঠেছে। সবার যেনো জ্ঞান ফিরেছে। সবাই যেটা দেশের বিভিন্ন চাপের জন্য ভুলে গিয়েছিল এবার সেটাকে আবার জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে রাষ্ট্রপুঞ্জের দ্বারা। কারণ এবার নাকি রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচীব জানিয়েছেন তিনি কাশ্মীরের বিষয়ে মধ্যস্থতা করতে রাজি। কিন্তু এই কথা শোনার পর ভারত কিন্তু একবারের জন্যও চুপ করে থাকে নি। তারা এই কথার জবাব দিয়েছে, তারা বলেছে মানে ভারতের তরফ থেকে বলেছে, রাষ্ট্রপুঞ্জের মধ্যস্থতার কোনো দরকার নেই, তারা এখানে সময় নষ্ট করে, তারা যেনো পাকিস্তানকে বোঝায়, যে তারা যেনো ভারতের জমি থেকে সড়ে যায়।

আসলে এদিন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচীব এন্টোনিও গুয়েত্রাস বলেছে, তিনি নাকি কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে দারুণ উদ্বিগ্ন। তাই সে এবার জম্মু কাশ্মীরের মধ্যে মধ্যস্ততা করতে রাজি। এবার এই কথা ভারতের কানে আসতেই তারা তাদের জবাব দেয়। এদিকে মহাসচীব বলেন, এই সমস্যা কেবল আলোচনার মাধ্যমেই মিটানো সম্ভব। কারণ দুই দেশ পরমাণু শক্তিধর দেশ, আর তার কারণেই এটা যেনো বচসা যুদ্ধে গিয়ে না পৌছায়, এর জন্য আমি মধ্যস্ততা করতে প্রস্তুত।

আর এর মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যে বাক যুদ্ধ শেষ করা যাবে যার ফলে আর সামরিক দিক থেকে যুদ্ধ হবে না। এই কথা শোনার পর বিদেশ মন্ত্রক রাভিশ কুমার নম্র ভাষায় জবা দেয় যে, আসলে ভারত তার নিজের জায়গাতেই অবস্থান করছে। আর তার ফলেই কাশ্মীর ভারতেরই অংশও। তো তাই বলা হচ্ছে ভারতের এখানে মধ্যস্ততার করার কোনো দরকার নেই। কারণ ভারতের অংশও নিয়েই আছে।

তবে আমার মনে হয় ভারতের দিকে নজর না দিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জকে পাকিস্তানের দিকে নজর দেওয়া উচিৎ, কারণ ভারতের জায়গায় দখল করে আছে পাকিস্তান। তাদের বলা হোক সড়ে যেতে। আর আমাদের আশা রাষ্ট্রপুঞ্জ এই কাজ করতে পারবে। সাথে তারা এই কাজও করুক যাতে সন্ত্রা দূর হোক, শেষে তিনি বলেন, এই জম্মু কাশ্মীর ভারতের অংশ তাই তাদের মৌলিক অধিকার আছে। এর ফলে এই বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ করার কোনো দরকার নেই।