কেরিয়ার ধ্বংসের পিছনে বিরাট কোহলির প্রত্যক্ষ হাত আছে:রায়না

আমরা তাকে অনেক দিন থেকেই মাঠে অনিয়মিত ভেবে দেখি। বিশেষ করে ধোনির জামানার শেষের থেকেই তাকে আমরা মাঠে অনিয়মিত ভাবেই দেখি। তবে কোহলির জামানা থেকে সে একেবারে বিলুপ্ত প্রায়। আর তার কারণে স্বাভাবিক ভাবেই সে এখন অনেকটাই ডিপ্রেসড, এমনকি সে তার ক্যারিয়ারের শেষ নিয়েও খুবই চিন্তিত।

আর এই সবের জন্যও এবার সরাসরি তিনি কোহলিকেই দোষ্রোপ করল। এখানে কার কথা বলা হচ্ছে আপনারা হয়ত শিরোনাম দেখে বুঝুতেই পাচ্ছেন। হ্যা এখানে বলা হচ্ছে সুরেশ রায়নার কথা। তিনি একেবের এখন মাঠে অনিয়মিত ভাবেই দেখতে পাওয়া যায়।এবার তার এই অনিয়মিত থাকার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি যে আমি রাহুল দ্রাবিড়ের অধীনে খেলতে পেরেছি, এর পরে ধোনির অধিনে খেলেছি। তবে এক জন ক্রিকেটারকে সুযোগ দেওয়াটা খুবই জরুরি।

সেটার অভাব হলে একজন প্লেয়াড়ের কাছে মনোবল কমে যায় অনেকটাই। এর পরে তিনি আরও বলেন, আমি যেমন সুযোগ ধোনি ও রাহুল দ্রাবিড়ের জামানায় পেয়েছিলাম, তেমন সুযোগ বিরাট জামানায় একেবারে পায় নি। একটা সময় রোহিত ও কোহলি আউট হওয়ার পরে মিডিল অর্ডারে আমি খেলেছি, আর অনেকটাই চ্যালেঞ্জের সাথেই খেলেছি।কিন্তু সেই যুযোগ এখন আর পাই নি।

দেখা গেছে কোহলি অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই দলের অনেক চেনা পরিচিত মুখ দল থেকে বাদ পড়েছে। তার মধ্যে রায়নাও একজন। যদি দেখা যায় কোহলির অধিনায়কত্বে মাত্র ৩ টি ওয়ান্ডে ম্যাচ খেলেছে রায়না। তার মধ্যে একটিতে ৪৬ ও একটিতে ১ রান করেছে। আর একটিতে নামার সুযোগ পায় নি।

এদিকে তিনি অধিনায়কের সাথে নির্বাচকদেরও বিধেছেন, তিনি বলেছেন একজন প্লেয়ারের মনে সব সময় ভয় থাকে আজকে ভালো না খেলতে পারলে হয়ত দল থেকে বাদ পরব। এই সমস্যা খুব সহজেই অধিনায়ক ও নির্বাচকেরাই সমাধান করতে পারে।কিন্তু তারা সেটা করে না। এদিকে পান্থ, শ্রেয়স ওরা যখন মাঠে নামে তখন ওরা যেনো এই বিশ্বাস নিয়ে নামে, যে আমরা পরের ম্যাচ থেকে বাদ পরব না।এখন রায়না তার আগামী লক্ষ্যের জন্যও নিজেকে তৈরী করছে। তার লক্ষ্য এখন আই পি এল। এর দ্বারাই আবার যে জাতীয় দলে ফেরার আশা দেখছে।।